শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার

বার্তাকন্ঠ ডেস্ক।। পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার। তিনি সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেনই না, বাস্তবায়ন করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, তথ্য প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিল। এ খাতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রস্তাবে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সে সময় বিরোধী পক্ষ ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে নানা কটাক্ষ, সমালোচনা করলেও আজ তথ্য ও প্রযুক্তিগত সুবিধা মানুষের হাতের মুঠোয়। দ্রুত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারে এগিয়ে থাকা দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রূপকল্প বাস্তবায়নে আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে পাশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারণেই।

‘সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার’
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী শামীম বলেন, বেকারত্ব ছিল বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অভিশাপ। সেই অভিশপ্ত জনশক্তিই এখন বাংলাদেশের সম্পদ। এখন তরুণ প্রজন্ম চাইলে নিজেকে চাকরির বাজারে না নিয়েই ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারে। হতে পারে উদ্যোক্তা। এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

এ সময় নড়িয়া পৌরসভা মেয়র আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা জহির শিকদার, নড়িয়া ও সখিপুরে যুবলীগ নেতাদের উপস্থিত ছিলেন নাসির উদ্দিন, উজ্জল মালত, খালেক খালাসী, রাসেল আহমেদ পলাশ প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার

প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

বার্তাকন্ঠ ডেস্ক।। পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার। তিনি সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেনই না, বাস্তবায়ন করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, তথ্য প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিল। এ খাতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রস্তাবে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সে সময় বিরোধী পক্ষ ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে নানা কটাক্ষ, সমালোচনা করলেও আজ তথ্য ও প্রযুক্তিগত সুবিধা মানুষের হাতের মুঠোয়। দ্রুত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারে এগিয়ে থাকা দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রূপকল্প বাস্তবায়নে আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে পাশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারণেই।

‘সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার’
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী শামীম বলেন, বেকারত্ব ছিল বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অভিশাপ। সেই অভিশপ্ত জনশক্তিই এখন বাংলাদেশের সম্পদ। এখন তরুণ প্রজন্ম চাইলে নিজেকে চাকরির বাজারে না নিয়েই ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারে। হতে পারে উদ্যোক্তা। এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

এ সময় নড়িয়া পৌরসভা মেয়র আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা জহির শিকদার, নড়িয়া ও সখিপুরে যুবলীগ নেতাদের উপস্থিত ছিলেন নাসির উদ্দিন, উজ্জল মালত, খালেক খালাসী, রাসেল আহমেদ পলাশ প্রমুখ।