শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে স্বামী হত্যার অভিযোগে আটক ২

লালমনিরহাট জেলার ম্যাপ

মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমে পড়ে স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যার অভিযোগ তদন্তে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। স্ত্রী মমিনা বেগম (২৭) সদর উপজেলার সাপটানা মাজাপাড়া এলাকার মোল্লা মিয়ার মেয়ে এবং স্বামী আব্দুল জলিল (৩৪) একই উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের শাহার আলীর ছেলে।এ ঘটনায় মৃত আব্দুল জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ গত ২৫ জুলাই লালমনিরহাট পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে নড়ে চড়ে বসে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাতে সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করেন এবং ঘটনার তদন্তে আলামত সংগ্রহ করেন পুলিশের বিশেষ টিম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের শাহার আলীর ছেলে আব্দুল জলিল ৮ বছর ধরে পৌরসভার সাপটানা মাজাপাড়া এলাকায় স্ত্রীসহ বসবাস করে আসছেন। একই এলাকার রমজান আলীর ছেলে গোলাম রব্বানীর পার্শ্ববর্তী তিন পুকুর বাজারে ঔষধের দোকান হওয়ায় মমিনা বেগম প্রায়ই তার দোকানে ঔষধ আনতে যেত। ফলে তাদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এতে বাধ সাধে স্বামী আব্দুল জলিল। তাই মমিনা বেগমের ভাই আশরাফুল ইসলামের সহযোগিতায় পরকীয়া প্রেমিক গ্রাম্য ডাক্তার গোলাম রব্বানীকে সাথে নিয়ে ঈদুল আযহার পরের দিন (২২ জুলাই) রাতে আব্দুল জলিলকে কৌশলে অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে মারধর করলে তার মৃত্যু হয়। সকালে স্ত্রী মমিনা বেগম প্রতিবেশীদের জানায় তার স্বামীর স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে। তবে এলাকাবাসী মৃত ব্যক্তির নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেয়। কিন্তু রহস্যজনক করণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেয় পুলিশ। এদিকে খবর পেয়ে মৃত আব্দুল জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ পরিবারের কয়েক জনকে সাথে নিয়ে সাপটানা মাজাপাড়া এলাকায় গিয়ে সকাল ১০টার দিকেও দেখতে পায় তার ভাইয়ের নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। কিন্তু থানা পুলিশের সম্মতি পেয়ে স্ত্রী মমিনা বেগমের বাবার বাড়ির লোকজন সকালেই দ্রুত মৃত আব্দুল জলিলকে জানাজা শেষে লাশ দাফন করে। এ ব্যাপারে মৃত আব্দুল জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। এসপির কাছে অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে সঠিক বিচারের দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে। সন্দেহভাজন কয়েকজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রয়োজনে লাশ কবর তোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লালমনিরহাটে স্বামী হত্যার অভিযোগে আটক ২

প্রকাশের সময় : ০১:৫৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমে পড়ে স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যার অভিযোগ তদন্তে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। স্ত্রী মমিনা বেগম (২৭) সদর উপজেলার সাপটানা মাজাপাড়া এলাকার মোল্লা মিয়ার মেয়ে এবং স্বামী আব্দুল জলিল (৩৪) একই উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের শাহার আলীর ছেলে।এ ঘটনায় মৃত আব্দুল জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ গত ২৫ জুলাই লালমনিরহাট পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে নড়ে চড়ে বসে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাতে সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করেন এবং ঘটনার তদন্তে আলামত সংগ্রহ করেন পুলিশের বিশেষ টিম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের শাহার আলীর ছেলে আব্দুল জলিল ৮ বছর ধরে পৌরসভার সাপটানা মাজাপাড়া এলাকায় স্ত্রীসহ বসবাস করে আসছেন। একই এলাকার রমজান আলীর ছেলে গোলাম রব্বানীর পার্শ্ববর্তী তিন পুকুর বাজারে ঔষধের দোকান হওয়ায় মমিনা বেগম প্রায়ই তার দোকানে ঔষধ আনতে যেত। ফলে তাদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এতে বাধ সাধে স্বামী আব্দুল জলিল। তাই মমিনা বেগমের ভাই আশরাফুল ইসলামের সহযোগিতায় পরকীয়া প্রেমিক গ্রাম্য ডাক্তার গোলাম রব্বানীকে সাথে নিয়ে ঈদুল আযহার পরের দিন (২২ জুলাই) রাতে আব্দুল জলিলকে কৌশলে অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে মারধর করলে তার মৃত্যু হয়। সকালে স্ত্রী মমিনা বেগম প্রতিবেশীদের জানায় তার স্বামীর স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে। তবে এলাকাবাসী মৃত ব্যক্তির নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেয়। কিন্তু রহস্যজনক করণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেয় পুলিশ। এদিকে খবর পেয়ে মৃত আব্দুল জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ পরিবারের কয়েক জনকে সাথে নিয়ে সাপটানা মাজাপাড়া এলাকায় গিয়ে সকাল ১০টার দিকেও দেখতে পায় তার ভাইয়ের নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। কিন্তু থানা পুলিশের সম্মতি পেয়ে স্ত্রী মমিনা বেগমের বাবার বাড়ির লোকজন সকালেই দ্রুত মৃত আব্দুল জলিলকে জানাজা শেষে লাশ দাফন করে। এ ব্যাপারে মৃত আব্দুল জলিলের ভাই আব্দুর রশিদ বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। এসপির কাছে অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে সঠিক বিচারের দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে। সন্দেহভাজন কয়েকজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রয়োজনে লাশ কবর তোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।