শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

১২ হাজার চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ আগামী মাসে

ঢাকা ব্যুরো।।  করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চিকিত্সা খাতে সেবা বাড়াতে আগামী আগস্ট মাসেই নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন সাড়ে ১২ হাজার চিকিৎসক ও নার্স। এর মধ্যে ৪২তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পাবেন ৪ হাজার চিকিৎসক। গত মার্চে জারিকৃত সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বাকি সাড়ে ৮ হাজার নার্স নিয়োগের সুপারিশ করবে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে পরীক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মো: সোহরাব হোসাইন ইত্তেফাককে বলেন, বিধি মোতাবেক চিকিত্সক-নার্স নিয়োগের সুপারিশ করবে কমিশন। আশা করছি আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ সম্পন্ন করতে পারবো আমরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে দ্রুত সাড়ে ১৭ হাজার নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার চিকিত্সক, ৪ হাজার নার্স, ৪০৯ জন জুনিয়র কনসালট্যান্ট এবং ১১ হাজার টেকনোলজিস্ট পদ রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে স্বাস্থ্য খাতে বেশ জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চিকিত্সক সংকট চরমে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালগুলোতে পদ থাকা সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে ১১ হাজার পদে কোনো চিকিত্সক নিয়োগ করা হয়নি। এর আগে ২০১৯ সালে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে প্রথম ধাপে সাড়ে ৪ হাজার এবং ২০২০ সালে মে মাসে আরও অতিরিক্ত ২ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হয়। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকরা কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এবং চলমান কোভিড পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে ২ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারই অংশ হিসাবে ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর ৪২তম বিশেষ বিসিএসের সার্কুলার প্রকাশিত হলে সাড়ে ৩১ হাজার আবেদন পত্র জমা পড়ে। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রিলিতে ৬ হাজার ২২ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। গত ৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়।

কিন্তু কোভিড পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় গত ২৪ জুন পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৪২তম বিসিএস থেকে আরো ২ হাজার চিকিত্সক পদ সৃজন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শূন্যপদের চাহিদাপত্র কমিশনেও পাঠানো হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষা চলমান থাকাই মৌখিক ছাড়া কোনভাবেই চিকিত্সক নিয়োগের সুপারিশ করার সুযোগ নেই পিএসসির। আগামী ১০ আগস্ট থেকে ৪২তম বিসিএসের স্থগিত ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ আগষ্ট পর্যন্ত ভাইভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হলেও তা আরও এগিয়ে আনা হবে। সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার কার্যক্রম শেষ করে ওই বিসিএস থেকে ৪ হাজার চিকিত্সক নিয়োগের সুপারিশ করার পরিকল্পনা করেছে কমিশন।

১২ হাজার চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ আগামী মাসে

প্রকাশের সময় : ১১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।।  করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চিকিত্সা খাতে সেবা বাড়াতে আগামী আগস্ট মাসেই নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন সাড়ে ১২ হাজার চিকিৎসক ও নার্স। এর মধ্যে ৪২তম বিসিএস থেকে নিয়োগ পাবেন ৪ হাজার চিকিৎসক। গত মার্চে জারিকৃত সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বাকি সাড়ে ৮ হাজার নার্স নিয়োগের সুপারিশ করবে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে পরীক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মো: সোহরাব হোসাইন ইত্তেফাককে বলেন, বিধি মোতাবেক চিকিত্সক-নার্স নিয়োগের সুপারিশ করবে কমিশন। আশা করছি আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ সম্পন্ন করতে পারবো আমরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে দ্রুত সাড়ে ১৭ হাজার নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার চিকিত্সক, ৪ হাজার নার্স, ৪০৯ জন জুনিয়র কনসালট্যান্ট এবং ১১ হাজার টেকনোলজিস্ট পদ রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে স্বাস্থ্য খাতে বেশ জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চিকিত্সক সংকট চরমে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালগুলোতে পদ থাকা সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে ১১ হাজার পদে কোনো চিকিত্সক নিয়োগ করা হয়নি। এর আগে ২০১৯ সালে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে প্রথম ধাপে সাড়ে ৪ হাজার এবং ২০২০ সালে মে মাসে আরও অতিরিক্ত ২ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হয়। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকরা কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এবং চলমান কোভিড পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে ২ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারই অংশ হিসাবে ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর ৪২তম বিশেষ বিসিএসের সার্কুলার প্রকাশিত হলে সাড়ে ৩১ হাজার আবেদন পত্র জমা পড়ে। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রিলিতে ৬ হাজার ২২ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। গত ৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়।

কিন্তু কোভিড পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় গত ২৪ জুন পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৪২তম বিসিএস থেকে আরো ২ হাজার চিকিত্সক পদ সৃজন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শূন্যপদের চাহিদাপত্র কমিশনেও পাঠানো হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষা চলমান থাকাই মৌখিক ছাড়া কোনভাবেই চিকিত্সক নিয়োগের সুপারিশ করার সুযোগ নেই পিএসসির। আগামী ১০ আগস্ট থেকে ৪২তম বিসিএসের স্থগিত ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ আগষ্ট পর্যন্ত ভাইভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হলেও তা আরও এগিয়ে আনা হবে। সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার কার্যক্রম শেষ করে ওই বিসিএস থেকে ৪ হাজার চিকিত্সক নিয়োগের সুপারিশ করার পরিকল্পনা করেছে কমিশন।