শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে, এবার দিল্লিতেও হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। পশ্চিমবঙ্গের মতো দিল্লিতেও পরিবর্তন চাইলেন প্রখ্যাত উর্দুকবি ও বলিউডের স্বনামধন্য গীতিকার তথা অভিনেত্রী শাবনা আজমির স্বামী জাভেদ আখতার।

স্ত্রী শাবানা আজমি ও মমতাকে পাশে নিয়েই উপমহাদেশের অন্যতম সেরা শায়র ও কবি জাভেদ নাম না করে মোদির হিন্দুত্ব ও গেরুয়া রাজনীতিকে খোলামেলা ভাষায় ফের আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গেও পরিবর্তন হয়েছে, এবার দিল্লিতেও হবে। মমতাকেই কী মোদিবিরোধী রাজনীতির মুখ মনে করছেন জাভেদ? এমন প্রশ্নের উত্তরে পাশ কাটিয়ে গিয়ে উর্দুকবি বলেন, “দিল্লিতে পরিবর্তনের পর সংসদ সদস্যরাই বসে ঠিক করবেন, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, কে নেতা হবেন, আগে পরিবর্তনটাই জরুরি।’

এতে হাততালি দিয়ে সায় দেন শাবানা আজমি। মমতার সঙ্গে জাভেদ-শাবানার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শাবানার প্রয়াত পিতা উর্দুকবি কাইফি আজমির জন্মশতবর্ষে কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানও করার কথা হয়েছে। ডিএমকে নেত্রী সংসদ সদস্য কানিমোজিও মমতার বাড়িতে এসে বৈঠক করে যান।

এদিকে সড়কপথে কলকাতা থেকে বনগাঁ-বেনাপোল হয়ে যারা বাংলাদেশে যাতায়াত করেন তাদের জন্য দিল্লি থেকে সুখবর দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, কলকাতা থেকে বারাসত হয়ে বনগাঁ-পেট্রাপোল পর্যন্ত সড়কটি প্রশস্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে মমতার সঙ্গে বৈঠকে এমন আশ্বাস দিয়েছেন ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি। দিল্লি সফরের চতুর্থ দিনে মমতা কেন্দ্রীয় সরকারের সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী এবং বিজেপিতে মোদিবিরোধী বলে পরিচিত গড়কড়ির সঙ্গে তার বাসভবনে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জাতীয় সড়কের সংস্কার ও প্রশস্ত করার পাশাপাশি পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রবেশদ্বার কলকাতার জন্য একগুচ্ছ নয়া প্রকল্প দাবি করেন মমতা। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, ‘কলকাতা থেকে বারাসত-বনগাঁ হয়ে পেট্রাপোলের রাস্তাটি দ্রুত চওড়া ও মেরামত করা জরুরি। তা হলে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও যাতায়াত অনেক বেশি সহজ ও সুবিধা হবে।’

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ত্রিপুরা, মেঘালয় সীমান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানার রাস্তাগুলো চওড়া ও মজবুত করার উপরেও জোর দিয়েছেন মমতা। নীতিন সরাসরি বিজেপির নিয়ন্ত্রক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কাছের লোক বলে পরিচিত। বৈঠক শেষে মমতা জানিয়েছেন, গড়কড়ির সঙ্গে তার আলোচনা ইতিবাচক। রাজ্যের সমস্যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বাংলায় কী কী সমস্যা তা দেখতে রাজ্যে আসবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রাজ্যে ইলেকট্রিক বাস তৈরির কারখানা গড়ে তোলার দাবি করেন মমতা। পরে মমতা বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে যাতে ইলেকট্রিক বাস, অটো, স্কুটারের কারখানা তৈরি করা হয়, তার জন্য আবেদন জানিয়েছি।’

পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে, এবার দিল্লিতেও হবে

প্রকাশের সময় : ০৮:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। পশ্চিমবঙ্গের মতো দিল্লিতেও পরিবর্তন চাইলেন প্রখ্যাত উর্দুকবি ও বলিউডের স্বনামধন্য গীতিকার তথা অভিনেত্রী শাবনা আজমির স্বামী জাভেদ আখতার।

স্ত্রী শাবানা আজমি ও মমতাকে পাশে নিয়েই উপমহাদেশের অন্যতম সেরা শায়র ও কবি জাভেদ নাম না করে মোদির হিন্দুত্ব ও গেরুয়া রাজনীতিকে খোলামেলা ভাষায় ফের আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গেও পরিবর্তন হয়েছে, এবার দিল্লিতেও হবে। মমতাকেই কী মোদিবিরোধী রাজনীতির মুখ মনে করছেন জাভেদ? এমন প্রশ্নের উত্তরে পাশ কাটিয়ে গিয়ে উর্দুকবি বলেন, “দিল্লিতে পরিবর্তনের পর সংসদ সদস্যরাই বসে ঠিক করবেন, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, কে নেতা হবেন, আগে পরিবর্তনটাই জরুরি।’

এতে হাততালি দিয়ে সায় দেন শাবানা আজমি। মমতার সঙ্গে জাভেদ-শাবানার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শাবানার প্রয়াত পিতা উর্দুকবি কাইফি আজমির জন্মশতবর্ষে কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানও করার কথা হয়েছে। ডিএমকে নেত্রী সংসদ সদস্য কানিমোজিও মমতার বাড়িতে এসে বৈঠক করে যান।

এদিকে সড়কপথে কলকাতা থেকে বনগাঁ-বেনাপোল হয়ে যারা বাংলাদেশে যাতায়াত করেন তাদের জন্য দিল্লি থেকে সুখবর দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, কলকাতা থেকে বারাসত হয়ে বনগাঁ-পেট্রাপোল পর্যন্ত সড়কটি প্রশস্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে মমতার সঙ্গে বৈঠকে এমন আশ্বাস দিয়েছেন ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি। দিল্লি সফরের চতুর্থ দিনে মমতা কেন্দ্রীয় সরকারের সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী এবং বিজেপিতে মোদিবিরোধী বলে পরিচিত গড়কড়ির সঙ্গে তার বাসভবনে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জাতীয় সড়কের সংস্কার ও প্রশস্ত করার পাশাপাশি পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রবেশদ্বার কলকাতার জন্য একগুচ্ছ নয়া প্রকল্প দাবি করেন মমতা। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, ‘কলকাতা থেকে বারাসত-বনগাঁ হয়ে পেট্রাপোলের রাস্তাটি দ্রুত চওড়া ও মেরামত করা জরুরি। তা হলে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও যাতায়াত অনেক বেশি সহজ ও সুবিধা হবে।’

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ত্রিপুরা, মেঘালয় সীমান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানার রাস্তাগুলো চওড়া ও মজবুত করার উপরেও জোর দিয়েছেন মমতা। নীতিন সরাসরি বিজেপির নিয়ন্ত্রক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কাছের লোক বলে পরিচিত। বৈঠক শেষে মমতা জানিয়েছেন, গড়কড়ির সঙ্গে তার আলোচনা ইতিবাচক। রাজ্যের সমস্যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বাংলায় কী কী সমস্যা তা দেখতে রাজ্যে আসবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রাজ্যে ইলেকট্রিক বাস তৈরির কারখানা গড়ে তোলার দাবি করেন মমতা। পরে মমতা বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে যাতে ইলেকট্রিক বাস, অটো, স্কুটারের কারখানা তৈরি করা হয়, তার জন্য আবেদন জানিয়েছি।’