বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুই শিশু সন্তানকে রাস্তায় ফেলে গেলেন মা

বগুড়া প্রতিনিধি।। বগুড়ার শাজাহানপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে কোলের দুই শিশুকে রাস্তায় ফেলে গেছেন এক গৃহবধূ। শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার আড়িয়া বাজার এলাকায় শিশুদের ফেলে যান তিনি।
তাদের কান্না করতে দেখে দাদা অমূল্য প্রামাণিককে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে তার কোলে তুলে দেওয়া হয়। আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মুরাদ কোরাইশী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইউপি সদস্য ও আড়িয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে পাঁচ বছর ও চার মাস বয়সী দুই শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে এক নারী রাস্তায় ঘোরাফেরা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর দুই শিশুকে রাস্তার পাশে বসে কান্না করতে দেখা যায়।
কান্না করতে দেখে দুই শিশুর পরিচয় শনাক্ত করে স্থানীয়রা। বাড়িতে খবর দিলে দাদা অমূল্য প্রামাণিক আড়িয়া বাজারে এসে নাতিদের কোলে তুলে নেন। এ সময় পুত্রবধূর এমন ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন অমূল্য প্রামাণিক।
অমূল্য প্রামাণিক বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মনোয়ারী গ্রামে ছেলে রঞ্জিতকে বিয়ে করাই। ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করে রঞ্জিত। স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে সেখানে বসবাস করতো।
দাম্পত্য কলহের কারণে ঈদের আগে দুই নাতিকে নিয়ে বাবার বাড়ি নওগাঁয় চলে যায় পুত্রবধূ। ঈদের পরদিন রঞ্জিত ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের দেখতে না পেয়ে শ্বশুরবাড়ি যায়। কিন্তু স্ত্রী না এসে রঞ্জিতের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেয়। এ নিয়ে সালিশ বৈঠক হলেও কোনও সমাধান হয়নি।
অমূল্য প্রামাণিক আরও বলেন, রবিবার থেকে পোশাক কারখানা খোলার কথা শুনে রঞ্জিত শনিবার সকালে ঢাকায় রওনা দেয়। ফুফুর মাধ্যমে খবর পেয়ে দুপুরে রঞ্জিতের দুই ছেলেকে নিয়ে এসে আড়িয়া বাজার এলাকায় ফেলে যায় পুত্রবধূ। স্থানীয় ইউপি সদস্য আমাকে জানান, দুই নাতিকে রাস্তার পাশে ফেলে গেছে। পরে আমি তাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। পুত্রবধূর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোথায় গেছে, তা এখনও জানতে পারিনি।

দুই শিশু সন্তানকে রাস্তায় ফেলে গেলেন মা

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৮:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১
বগুড়া প্রতিনিধি।। বগুড়ার শাজাহানপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে কোলের দুই শিশুকে রাস্তায় ফেলে গেছেন এক গৃহবধূ। শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার আড়িয়া বাজার এলাকায় শিশুদের ফেলে যান তিনি।
তাদের কান্না করতে দেখে দাদা অমূল্য প্রামাণিককে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে তার কোলে তুলে দেওয়া হয়। আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মুরাদ কোরাইশী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইউপি সদস্য ও আড়িয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে পাঁচ বছর ও চার মাস বয়সী দুই শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে এক নারী রাস্তায় ঘোরাফেরা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর দুই শিশুকে রাস্তার পাশে বসে কান্না করতে দেখা যায়।
কান্না করতে দেখে দুই শিশুর পরিচয় শনাক্ত করে স্থানীয়রা। বাড়িতে খবর দিলে দাদা অমূল্য প্রামাণিক আড়িয়া বাজারে এসে নাতিদের কোলে তুলে নেন। এ সময় পুত্রবধূর এমন ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন অমূল্য প্রামাণিক।
অমূল্য প্রামাণিক বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মনোয়ারী গ্রামে ছেলে রঞ্জিতকে বিয়ে করাই। ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করে রঞ্জিত। স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে সেখানে বসবাস করতো।
দাম্পত্য কলহের কারণে ঈদের আগে দুই নাতিকে নিয়ে বাবার বাড়ি নওগাঁয় চলে যায় পুত্রবধূ। ঈদের পরদিন রঞ্জিত ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের দেখতে না পেয়ে শ্বশুরবাড়ি যায়। কিন্তু স্ত্রী না এসে রঞ্জিতের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেয়। এ নিয়ে সালিশ বৈঠক হলেও কোনও সমাধান হয়নি।
অমূল্য প্রামাণিক আরও বলেন, রবিবার থেকে পোশাক কারখানা খোলার কথা শুনে রঞ্জিত শনিবার সকালে ঢাকায় রওনা দেয়। ফুফুর মাধ্যমে খবর পেয়ে দুপুরে রঞ্জিতের দুই ছেলেকে নিয়ে এসে আড়িয়া বাজার এলাকায় ফেলে যায় পুত্রবধূ। স্থানীয় ইউপি সদস্য আমাকে জানান, দুই নাতিকে রাস্তার পাশে ফেলে গেছে। পরে আমি তাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। পুত্রবধূর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোথায় গেছে, তা এখনও জানতে পারিনি।