সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের নজির পৃথিবীতে আর নেই: কাদের

ফাইল ছবি

ঢাকা ব্যুরো ।।

ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিলো ১৫ আগস্ট, নির্মমতার দিক থেকে এমন রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের নজির পৃথিবীতে আর নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (১ আগস্ট) সকালে ওবায়দুল কাদের তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জগতে অন্যান্য হত্যাকাণ্ডে নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়নি, টার্গেট করা হয়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুই নন, তাঁর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম মুজিবসহ নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকেও।

তাই আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক ধারায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, চলমান করোনা সংকটে অসহায়, দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ালেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি সঠিক সম্মান প্রদর্শন করা হবে এবং তাঁর আত্মা শান্তি পাবে।
১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে থাকেনি, তারা পরবর্তীতে তিন নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে জেলের অভ্যন্তরে কারাকক্ষে হত্যা করেছে। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাও একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা ছিল বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের প্রধান টার্গেট ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রধান টার্গেট ছিলো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ১৫ ও ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের কুশীলবরা এখনো সক্রিয়, তারা উন্নয়ন, শান্তি ও স্বস্তির বাংলাদেশ চায় না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ায় তাদের গাত্রদাহ।
আগস্ট এলেই বঙ্গবন্ধু কন্যার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৮১ সালে তিনি দেশে ফিরে আসার পর তাঁকে প্রায় ২০ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। যারা খুনের কুশীলব ছিলো তাদের অপমৃত্যু হয়েছে। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনি, ক্ষমা করেও না।

তিনি বলেন, এদেশে যারা রক্তাক্ত আগস্ট ঘটিয়েছিলো, যারা ছিলে বেনিফিশিয়ারী তাদের প্রকৃতির আদালতেই বিচার সম্পূর্ণ হয়েছে। তিন নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতেই করা হয়েছিলো।
ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আজ থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ঘোষণা করেছে সরকার। তাই ব্যবসায়ী নেতাদের নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে অনুরোধ করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, তারা প্রতিশ্রুতি দিয়ছিলেন কারখানার আশপাশের শ্রমিকদের নিয়ে প্রথমে কারখানা চালু করবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল অনেক প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নোটিশ দেয়, এতে বাঁধভাঙা জোয়ারের মত স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে মানুষের রাজধানীমুখীর যে স্রোত তাতে সংক্রমণের হার বেড়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের নজির পৃথিবীতে আর নেই: কাদের

প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা ব্যুরো ।।

ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিলো ১৫ আগস্ট, নির্মমতার দিক থেকে এমন রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের নজির পৃথিবীতে আর নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (১ আগস্ট) সকালে ওবায়দুল কাদের তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জগতে অন্যান্য হত্যাকাণ্ডে নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়নি, টার্গেট করা হয়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুই নন, তাঁর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম মুজিবসহ নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকেও।

তাই আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক ধারায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, চলমান করোনা সংকটে অসহায়, দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ালেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি সঠিক সম্মান প্রদর্শন করা হবে এবং তাঁর আত্মা শান্তি পাবে।
১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে থাকেনি, তারা পরবর্তীতে তিন নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে জেলের অভ্যন্তরে কারাকক্ষে হত্যা করেছে। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাও একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা ছিল বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের প্রধান টার্গেট ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রধান টার্গেট ছিলো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ১৫ ও ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের কুশীলবরা এখনো সক্রিয়, তারা উন্নয়ন, শান্তি ও স্বস্তির বাংলাদেশ চায় না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ায় তাদের গাত্রদাহ।
আগস্ট এলেই বঙ্গবন্ধু কন্যার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৮১ সালে তিনি দেশে ফিরে আসার পর তাঁকে প্রায় ২০ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। যারা খুনের কুশীলব ছিলো তাদের অপমৃত্যু হয়েছে। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনি, ক্ষমা করেও না।

তিনি বলেন, এদেশে যারা রক্তাক্ত আগস্ট ঘটিয়েছিলো, যারা ছিলে বেনিফিশিয়ারী তাদের প্রকৃতির আদালতেই বিচার সম্পূর্ণ হয়েছে। তিন নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতেই করা হয়েছিলো।
ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আজ থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ঘোষণা করেছে সরকার। তাই ব্যবসায়ী নেতাদের নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে অনুরোধ করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, তারা প্রতিশ্রুতি দিয়ছিলেন কারখানার আশপাশের শ্রমিকদের নিয়ে প্রথমে কারখানা চালু করবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল অনেক প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নোটিশ দেয়, এতে বাঁধভাঙা জোয়ারের মত স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে মানুষের রাজধানীমুখীর যে স্রোত তাতে সংক্রমণের হার বেড়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।