স্টাফ রিপোর্টার ।।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আশ্রিত রোহিঙ্গাদের রেখে দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবে বাংলাদেশ রাজি নয়।
তিনি বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার ইস্যু হচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, রোহিঙ্গারা ফিরে যাবে। আমরা তাদের ক্ষণিকের জন্য আশ্রয় দিয়েছি। আজ সোমবার (২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক একটা রিপোর্ট তৈরি করেছে, এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, ১৬টা দেশের জন্য। যে সব দেশে রিফিউজি আছে সেখানে তাদের হোস্ট কান্ট্রিতে ইন্টিগ্রেট করার বিষয়ে। যেহেতু রোহিঙ্গারা রিফিউজি না, আমরা এটা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছি। এই রিপোর্টের সাথে আমাদের চিন্তাভাবনার মিল নেই।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি, রোহিঙ্গাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একমাত্র পথ হচ্ছে নিজের দেশে ফিরে যাওয়া। তারা এখানে ক্ষণস্থায়ী। আমরা এখানে আশ্রয় দিয়েছি।
ড. মোমেন বলেন, আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র মিয়ানমারও বলেছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাবে তারা। যদিও চার বছরে কোনো রোহিঙ্গা ফেরত যায়নি। মিয়ানমার কিন্তু কখনো বলেনি নেবে না। বিশ্ব ব্যাংক যে রিপোর্ট করেছে সেখানে রিফিউজির কথা বলেছে। রোহিঙ্গারা রিফিউজি না। আমরা এটা জানতাম না। আমরা এটা জেনেছি ইউএনএইচসিআর থেকে।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে ধরে ইউএনএইচসিআর বলেছে- রোহিঙ্গাদের যেন সব ধরনের নাগরিক সুবিধা; যেমন: বাংলাদেশিদের মতো কাজ করতে পারে, চলাফেরার লিগ্যাল মুভমেন্ট পায়, জমিজমা কিনতে পারে, নির্বাচন রাইট দিতে হবে নাগরিকের মতো। দেশের সব ক্ষেত্রে তাদের সাথে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। রোহিঙ্গারা সেই শর্তের মধ্যে পড়ে না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কাছে বিশ্বব্যাংক তাদের প্রস্তাবিত রিফিউজি পলিসি রিভিউ ফ্রেমওয়ার্কটি মতামতের জন্য পাঠায়। চিঠিতে বিশ্ব ব্যাংক জানায়, বিশ্বব্যাংকের এই রিফিউজি পলিসি রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য দেশে অবস্থিত সব উদ্বাস্তুর জন্য প্রযোজ্য। প্রতিবেদন নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব মেনে না নিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য একটা বাড়তি চাপ থাকবে বলেও মনে করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত এটা নিয়ে তারা আমাদের একটা চাপে রাখবে। টাকা দিতে ঝামেলা করবে। তারা তো আমাদের পয়সা দেয় না। রোহিঙ্গাদের নামে যে টাকা আসে সেটার চেহারাও আমরা দেখি না। আসা অর্থ খরচ করে আন্তর্জাতিক সংস্থা, ইউএনএইচসিআরসহ এরা সবাই। এরা কিভাবে টাকা খরচ করে সেটাও আমাদের জানায় না।
রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, কোনো অগ্রগতি হয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho