রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হংকংয়ের নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার হবে যুক্তরাষ্ট্রে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। হংকংয়ের হাজার হাজার বাসিন্দাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। চীন কর্তৃক হংকংয়ের স্বাধীনতা লঙ্ঘন হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী হংকংয়ের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ মাস নিরাপদে থাকতে পারবেন। ইতিমধ্যে দেশটির কয়েক হাজার নাগরিক মার্কিন মুলুকে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণায় অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছে চীন। তারা এই সিদ্ধান্তকে হংকংয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এর আগে গত বছর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির জন্য নিরাপত্তা আইন গ্রহণ করে চীন। আইনটি বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং গোপন চুক্তিকে অপরাধ বলে বিবেচিত করে। মূলত আইনটির মধ্য দিয়ে হংকংয়ের স্বাধীনতাকামীদের দমন করার পদক্ষেপ নেয় চীন সরকার।

জো বাইডেন বলেন, চীন তার অবশিষ্ট গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষুণ্ন করছে, একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।হংকংয়ে নতুন নিরাপত্তা আইনের অধীনে সমাজকর্মী ও বিরোধী রাজনীতিকসহ শতাধিক লোককে আটক করা হয়েছে, উল্লেখ করেন তিনি।

ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেঙ্গিউ মার্কিন সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সত্য উপেক্ষা এবং বিকৃত করছে। পাশাপাশি চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা ব্যাপক হস্তক্ষেপ করছে।

হংকংয়ের নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার হবে যুক্তরাষ্ট্রে

প্রকাশের সময় : ০৫:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। হংকংয়ের হাজার হাজার বাসিন্দাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। চীন কর্তৃক হংকংয়ের স্বাধীনতা লঙ্ঘন হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী হংকংয়ের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ মাস নিরাপদে থাকতে পারবেন। ইতিমধ্যে দেশটির কয়েক হাজার নাগরিক মার্কিন মুলুকে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণায় অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছে চীন। তারা এই সিদ্ধান্তকে হংকংয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চরম হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এর আগে গত বছর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির জন্য নিরাপত্তা আইন গ্রহণ করে চীন। আইনটি বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং গোপন চুক্তিকে অপরাধ বলে বিবেচিত করে। মূলত আইনটির মধ্য দিয়ে হংকংয়ের স্বাধীনতাকামীদের দমন করার পদক্ষেপ নেয় চীন সরকার।

জো বাইডেন বলেন, চীন তার অবশিষ্ট গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষুণ্ন করছে, একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।হংকংয়ে নতুন নিরাপত্তা আইনের অধীনে সমাজকর্মী ও বিরোধী রাজনীতিকসহ শতাধিক লোককে আটক করা হয়েছে, উল্লেখ করেন তিনি।

ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেঙ্গিউ মার্কিন সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সত্য উপেক্ষা এবং বিকৃত করছে। পাশাপাশি চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা ব্যাপক হস্তক্ষেপ করছে।