বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন

আতাউর রহমান, সাতক্ষীরা ব্যুরো।।  কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি আমার কোন দুর্নীতি ও অনিয়ম খুঁজে পেলে তা প্রকাশ্যে তুলে ধরুন।তবে কোন প্ররোচনায়  না পড়ে সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক সংবাদ পরিবেশন করলে
বাস্তব চিত্র ফুটে উঠবে। তখন সকলে সেটা জানতে পারবে। কলারোয়া পৌরসভার মুরারীকাটি গ্রামের বিলে পানি ওঠার প্রেক্ষিতে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে তাঁর
বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে বৃহস্পতিবারবিকেলে তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাস্তার উত্তর পার্শের পানি দক্ষিণ পাশেপ্রবাহিত হয় প্রায় দেড়শো বছর ধরে। পানি প্রবাহের প্রাকৃতিক ধারা রুখতেঅবৈধভাবে মুরারীকাটি ৭ নং ও ৮ নং ওয়ার্ডের সংযোগস্থল হাবুজেল মোড় নামকস্থানে সরকারি রাস্তার একটি কার্লভার্টের মুখ বালির বস্তা দিয়ে বন্ধ করেদেন স্থানীয় গুটিকয়েক ব্যক্তি। পরবর্তীতে ২৯ জুলাই সেই অবৈধ বালির বস্তার
বাঁধা অপসারণ করেন স্থানীয় জনগণ। তখন তেমন বৃষ্টি শুরু হয়নি, শুষ্ক ছিলো।স¤প্রতি কয়েকদিন ব্যাপক বৃষ্টি হওয়ায় মুরারীকাটিসহ উপজেলার বিভিন্নঅঞ্চলের ফসলী মাঠে পানি জমে গেছে। অথচ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক
প্রপাগন্ডা ছড়িয়ে গুটিকয়েক ব্যক্তি বাস্তবতার পরিবেশ ঘোলাটে করারঅপচেষ্টা চালিয়ে আমাকে দোষারোপ করছেন। অথচ উল্লিখিত স্থানের বেশিরভাগজমিজায়গা আমার পরিবারের, বরং যারা অভিযোগ করেছেন তাদের কোন জমি নেই।
উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু অভিযোগ করেন, ‘জেলা প্রশাসনস্বাভাবিক পানিপ্রবাহে অবৈধ নেটপাটা/ বাঁধা দেয়ার বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারিদিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা-১ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফালুৎফুল্লাহ মহোদয় মুরারীকাটি মাঠের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ও যাতে
জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সেজন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। অথচ স্থানীয়গুটিকয়েক ব্যক্তি পানি প্রবাহের কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেন।
আমিনুল
ইসলাম লাল্টু বলেন, ‘কলারোয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের একটি কালভার্টের মুখআটকে রাখা হয়েছিল। ৮ নং ওয়ার্ডের মানুষের বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ারতারাই কালভার্টের মুখ খুলে দিয়েছেন। এতে তাঁরই ১০০ বিঘা জমি পানিতে তলিয়েগেছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে
উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস্তব চিত্র প্রকাশের অনুরোধ জানান।

কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১
আতাউর রহমান, সাতক্ষীরা ব্যুরো।।  কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি আমার কোন দুর্নীতি ও অনিয়ম খুঁজে পেলে তা প্রকাশ্যে তুলে ধরুন।তবে কোন প্ররোচনায়  না পড়ে সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক সংবাদ পরিবেশন করলে
বাস্তব চিত্র ফুটে উঠবে। তখন সকলে সেটা জানতে পারবে। কলারোয়া পৌরসভার মুরারীকাটি গ্রামের বিলে পানি ওঠার প্রেক্ষিতে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে তাঁর
বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে বৃহস্পতিবারবিকেলে তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাস্তার উত্তর পার্শের পানি দক্ষিণ পাশেপ্রবাহিত হয় প্রায় দেড়শো বছর ধরে। পানি প্রবাহের প্রাকৃতিক ধারা রুখতেঅবৈধভাবে মুরারীকাটি ৭ নং ও ৮ নং ওয়ার্ডের সংযোগস্থল হাবুজেল মোড় নামকস্থানে সরকারি রাস্তার একটি কার্লভার্টের মুখ বালির বস্তা দিয়ে বন্ধ করেদেন স্থানীয় গুটিকয়েক ব্যক্তি। পরবর্তীতে ২৯ জুলাই সেই অবৈধ বালির বস্তার
বাঁধা অপসারণ করেন স্থানীয় জনগণ। তখন তেমন বৃষ্টি শুরু হয়নি, শুষ্ক ছিলো।স¤প্রতি কয়েকদিন ব্যাপক বৃষ্টি হওয়ায় মুরারীকাটিসহ উপজেলার বিভিন্নঅঞ্চলের ফসলী মাঠে পানি জমে গেছে। অথচ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক
প্রপাগন্ডা ছড়িয়ে গুটিকয়েক ব্যক্তি বাস্তবতার পরিবেশ ঘোলাটে করারঅপচেষ্টা চালিয়ে আমাকে দোষারোপ করছেন। অথচ উল্লিখিত স্থানের বেশিরভাগজমিজায়গা আমার পরিবারের, বরং যারা অভিযোগ করেছেন তাদের কোন জমি নেই।
উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু অভিযোগ করেন, ‘জেলা প্রশাসনস্বাভাবিক পানিপ্রবাহে অবৈধ নেটপাটা/ বাঁধা দেয়ার বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারিদিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা-১ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফালুৎফুল্লাহ মহোদয় মুরারীকাটি মাঠের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ও যাতে
জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সেজন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। অথচ স্থানীয়গুটিকয়েক ব্যক্তি পানি প্রবাহের কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেন।
আমিনুল
ইসলাম লাল্টু বলেন, ‘কলারোয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের একটি কালভার্টের মুখআটকে রাখা হয়েছিল। ৮ নং ওয়ার্ডের মানুষের বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ারতারাই কালভার্টের মুখ খুলে দিয়েছেন। এতে তাঁরই ১০০ বিঘা জমি পানিতে তলিয়েগেছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে
উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস্তব চিত্র প্রকাশের অনুরোধ জানান।