শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চয়নিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি

ঢাকা ব্যুরো।।নাটক ও সিনেমার নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

চয়নিকা চৌধুরীকে আটকের পর হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমরা মনে করেছি, চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে আমাদের কথা বলা দরকার; জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তের স্বার্থে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাকে এনেছি। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো পেয়েছি সেগুলো আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।’

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চয়নিকা চৌধুরীকে পান্থপথ থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এরপর তাকে মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ রাজধানীর বনানীর বাসা থেকে গ্রেপ্তার বিতর্কিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সবসময় পাশে ছিলেন চয়নিকা চৌধুরী। চয়নিকা চৌধুরীকে নিজের ‘মা’ বলে সম্বোধন করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বিভিন্ন সময় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়।

ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে কাঁদতে থাকা পরীমনির চোখের জল মুছে দিয়েছিলেন চয়নিকা। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে সাহস জুগিয়েছিলেন। তিনি নিজেও ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এক কথায় সার্বক্ষণিক পরীমনির ছায়া হয়ে থেকেছিলেন।

কিন্তু এবার পরীমনির বাসায় র‌্যাবের অভিযানের আগে তিনি নিজেই সাহায্য চাইছিলেন ফেসবুক লাইভে এসে। কিন্তু চয়নিকাকে তার ধারে-কাছেও দেখা যায়নি। আদালতেও যাননি। এমনকি এ নিয়ে গত দুই দিনে নিজের ফেসবুক ওয়ালে কোনো স্ট্যাটাসও দেননি।

নিজের এই অনুপস্থিতির বিষয়ে এক গণমাধ্যমকে চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, ওই ঘটনায় তিনি পরীমনির কাছে ছুটে গিয়েছিলেন দায়িত্ববোধ থেকে। সবার বিপদেই তিনি এভাবে এগিয়ে আসেন। কিন্তু এবার পারেননি কারণ, পরী যখন লাইভে আসেন তখন তিনি ফেসবুকেই ছিলেন না। সন্ধ্যা ৬টার পর তিনি বিষয়টি জেনেছিলেন। কিন্তু তখন র‌্যাবের অভিযানের কারণে পরীমনির বাসায় যাওয়ার সুযোগ ছিল না বলে তিনি জানান।

চয়নিকা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন আলোচিত পরিচালক। ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ‘শেষ বেলায়’ নাটকের মধ্য দিয়ে পরিচালনা শুরু করেন তিনি। ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। সে সিনেমার নায়িকা পরীমনি।

চয়নিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।।নাটক ও সিনেমার নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

চয়নিকা চৌধুরীকে আটকের পর হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমরা মনে করেছি, চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে আমাদের কথা বলা দরকার; জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তের স্বার্থে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাকে এনেছি। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো পেয়েছি সেগুলো আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।’

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চয়নিকা চৌধুরীকে পান্থপথ থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এরপর তাকে মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ রাজধানীর বনানীর বাসা থেকে গ্রেপ্তার বিতর্কিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সবসময় পাশে ছিলেন চয়নিকা চৌধুরী। চয়নিকা চৌধুরীকে নিজের ‘মা’ বলে সম্বোধন করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বিভিন্ন সময় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়।

ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে কাঁদতে থাকা পরীমনির চোখের জল মুছে দিয়েছিলেন চয়নিকা। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে সাহস জুগিয়েছিলেন। তিনি নিজেও ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এক কথায় সার্বক্ষণিক পরীমনির ছায়া হয়ে থেকেছিলেন।

কিন্তু এবার পরীমনির বাসায় র‌্যাবের অভিযানের আগে তিনি নিজেই সাহায্য চাইছিলেন ফেসবুক লাইভে এসে। কিন্তু চয়নিকাকে তার ধারে-কাছেও দেখা যায়নি। আদালতেও যাননি। এমনকি এ নিয়ে গত দুই দিনে নিজের ফেসবুক ওয়ালে কোনো স্ট্যাটাসও দেননি।

নিজের এই অনুপস্থিতির বিষয়ে এক গণমাধ্যমকে চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, ওই ঘটনায় তিনি পরীমনির কাছে ছুটে গিয়েছিলেন দায়িত্ববোধ থেকে। সবার বিপদেই তিনি এভাবে এগিয়ে আসেন। কিন্তু এবার পারেননি কারণ, পরী যখন লাইভে আসেন তখন তিনি ফেসবুকেই ছিলেন না। সন্ধ্যা ৬টার পর তিনি বিষয়টি জেনেছিলেন। কিন্তু তখন র‌্যাবের অভিযানের কারণে পরীমনির বাসায় যাওয়ার সুযোগ ছিল না বলে তিনি জানান।

চয়নিকা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন আলোচিত পরিচালক। ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ‘শেষ বেলায়’ নাটকের মধ্য দিয়ে পরিচালনা শুরু করেন তিনি। ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। সে সিনেমার নায়িকা পরীমনি।