সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরের শাওন হত্যা মামলার আসামী অস্ত্র ও গুলিসহ আটক

যশোর ব্যুরো।। যশোরে শাওন ওরফে টুনি শাওন হত্যা মামলার আসামী গোল্ডেন ফিরোজকে অস্ত্রসহ আটক করেছে ডিবি পুলিশ। শুক্রবার বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শংকরপুর টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি এবং দুইটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকিবুজ্জামান জানান, গত ২২ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া ছোটনের মোড়ে কমিউনিটি পুলিশিং অফিসে সন্ত্রাসী শাওন বা টুনি শাওনকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সে শংকরপুর জমাদ্দার পাড়ার বাসিন্দা। এই ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল হালিম শেখ ৭/৮ জনকে সন্দেহ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় ইয়াছিন হাসান রানাসহ এর আগে কয়জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয় এবং ইয়াসিন হাসান রানার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাজে ব্যবহৃত চাকু জব্দ করে মামলার রহস্য উদঘাটন করা হয়।

জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা তিন থেকে চারটি কারণে টুনি শাওনকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছে। যার মধ্যে রয়েছে বছর খানেক আগে টুনি শাওন এবং তার সহযোগীরা অনিককে ছুরিকাঘাত করে। এছাড়া টুনি শাওন এবং তার সহযোগী আকাশ ও ভাই রনিকে মারধরের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলছে আটককৃতরা। অপর একটি কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে ঘটনার দিন ১৫ আগে শংকরপুর টার্মিনালে একটি চুরি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়।

যশোরের শাওন হত্যা মামলার আসামী অস্ত্র ও গুলিসহ আটক

প্রকাশের সময় : ০৮:১৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১

যশোর ব্যুরো।। যশোরে শাওন ওরফে টুনি শাওন হত্যা মামলার আসামী গোল্ডেন ফিরোজকে অস্ত্রসহ আটক করেছে ডিবি পুলিশ। শুক্রবার বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শংকরপুর টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি এবং দুইটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকিবুজ্জামান জানান, গত ২২ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া ছোটনের মোড়ে কমিউনিটি পুলিশিং অফিসে সন্ত্রাসী শাওন বা টুনি শাওনকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সে শংকরপুর জমাদ্দার পাড়ার বাসিন্দা। এই ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল হালিম শেখ ৭/৮ জনকে সন্দেহ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় ইয়াছিন হাসান রানাসহ এর আগে কয়জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয় এবং ইয়াসিন হাসান রানার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাজে ব্যবহৃত চাকু জব্দ করে মামলার রহস্য উদঘাটন করা হয়।

জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা তিন থেকে চারটি কারণে টুনি শাওনকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছে। যার মধ্যে রয়েছে বছর খানেক আগে টুনি শাওন এবং তার সহযোগীরা অনিককে ছুরিকাঘাত করে। এছাড়া টুনি শাওন এবং তার সহযোগী আকাশ ও ভাই রনিকে মারধরের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলছে আটককৃতরা। অপর একটি কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে ঘটনার দিন ১৫ আগে শংকরপুর টার্মিনালে একটি চুরি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়।