শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিদায় বেলায় আবেগ আপ্লুত মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক ।।

কান্নার কারণে ঠিকমত কথা বলতে পারছিলেন না। বারবার চোখের পানি মুছতে দেখা যাচ্ছে তাকে। তবুও বার্সেলোনা থেকে বিদায় নেয়ার মুহূর্তে নিজের কিছু বলা বলে গেলেন মেসি। সবই বার্সাকে ঘিরে। সবকিছু উজাড় করে দিয়ে হলেও চেয়েছিলেন থাকতে। এমনকি ৫০ ভাগ পারিশ্রমিক কমিয়ে দেয়ার প্রস্তাবও গ্রহণ করেছিলেন তিনি।

তবুও স্প্যানিশ লা লিগার নতুন বিধি নিষেধ এবং কিছু কাঠামোগত সমস্যার কারণে মেসিকে আর শেষ পর্যন্ত রাখতে পারলো না বার্সেলোনা। গত বৃহস্পতিবার বার্সার পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর আজ আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বার্সাকে বিদায় জানালেন মেসি।

‘এটা সত্যিই খুব কঠিন (সিদ্ধান্ত)। আমি এর জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর আমি নিজেই চেয়েছিলাম বার্সেলোনা ছেড়ে যেতে। তখন একটা যুক্তি কাজ করছিল। কিন্তু গত এক বছরে আমি এখানে ছিলাম। আমার পরিবার এবং আমি নিজেও চেয়েছিলাম এখানে থাকতে। এটা তো আমার বাড়ি। এখানেই থাকতে চেয়েছি আমি।’

‘অথচ আজ আমাকে গুডবাই বলতে হচ্ছে। খুব কম, মাত্র ১৩ বছর বয়সে আমি এখানে এসেছি। ২১ বছর পর আমি এখান থেকে বিদায় নিচ্ছি আমার স্ত্রী এবং তিন কাতালান-আর্জেন্টাইন সন্তানসহ। আমাকে এই শহর ছেড়ে যেতে হচ্ছে, অথচ এটা আমাদের নিজেদের বাড়ি। এখানকার সব কিছুর জন্যই আমি গর্বিত। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার সতীর্থ এবং যারা আমার আশ-পাশে ছিলেন সবার প্রতি।’

বিদায় বেলায় আবেগ আপ্লুত মেসি

প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১

স্পোর্টস ডেস্ক ।।

কান্নার কারণে ঠিকমত কথা বলতে পারছিলেন না। বারবার চোখের পানি মুছতে দেখা যাচ্ছে তাকে। তবুও বার্সেলোনা থেকে বিদায় নেয়ার মুহূর্তে নিজের কিছু বলা বলে গেলেন মেসি। সবই বার্সাকে ঘিরে। সবকিছু উজাড় করে দিয়ে হলেও চেয়েছিলেন থাকতে। এমনকি ৫০ ভাগ পারিশ্রমিক কমিয়ে দেয়ার প্রস্তাবও গ্রহণ করেছিলেন তিনি।

তবুও স্প্যানিশ লা লিগার নতুন বিধি নিষেধ এবং কিছু কাঠামোগত সমস্যার কারণে মেসিকে আর শেষ পর্যন্ত রাখতে পারলো না বার্সেলোনা। গত বৃহস্পতিবার বার্সার পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর আজ আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বার্সাকে বিদায় জানালেন মেসি।

‘এটা সত্যিই খুব কঠিন (সিদ্ধান্ত)। আমি এর জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর আমি নিজেই চেয়েছিলাম বার্সেলোনা ছেড়ে যেতে। তখন একটা যুক্তি কাজ করছিল। কিন্তু গত এক বছরে আমি এখানে ছিলাম। আমার পরিবার এবং আমি নিজেও চেয়েছিলাম এখানে থাকতে। এটা তো আমার বাড়ি। এখানেই থাকতে চেয়েছি আমি।’

‘অথচ আজ আমাকে গুডবাই বলতে হচ্ছে। খুব কম, মাত্র ১৩ বছর বয়সে আমি এখানে এসেছি। ২১ বছর পর আমি এখান থেকে বিদায় নিচ্ছি আমার স্ত্রী এবং তিন কাতালান-আর্জেন্টাইন সন্তানসহ। আমাকে এই শহর ছেড়ে যেতে হচ্ছে, অথচ এটা আমাদের নিজেদের বাড়ি। এখানকার সব কিছুর জন্যই আমি গর্বিত। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার সতীর্থ এবং যারা আমার আশ-পাশে ছিলেন সবার প্রতি।’