বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

নড়াইল প্রতিনিধি।। বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ,এ উপলক্ষ্যে নড়াইল জেলা প্রশাসন ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শিল্পীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মাজার জিয়ারত, কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিলএবং সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনাকরোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প পরিসরে এসব কর্মসূচি পালিত হবে।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের এই দিনে নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ের নিভৃত পল্লি মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। চেহারার সঙ্গে মিলিয়ে পিতামাতা আদর করে নাম রাখেন লাল মিয়া। ৭০ বছরের বোহেমিয়ান জীবনে চিত্রশিল্পী সুলতান তার তুলির আঁচড়ে দেশ, মাটি, মাটির গন্ধ আর ঘামে ভেজা মেহনতি মানুষের সঙ্গে নিজেকে একাকার করে সৃষ্টি করেন বিশ্ববিখ্যাত সব ছবি।

১৯৫০ সালে ইউরোপ সফরের সময় যৌথ প্রদর্শনীতে তার ছবি সমকালীন বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো, ডুফি, সালভেদর দালি, পল ক্লি, কনেট, মাতিসের ছবির সঙ্গে প্রদর্শিত হয়। কালোত্তীর্ণ এই শিল্পী ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে সরকারের রেসিডেন্সিয়াল আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক পান। বরেণ্য এই শিল্পী ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশের সময় : ০৭:০৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

নড়াইল প্রতিনিধি।। বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ,এ উপলক্ষ্যে নড়াইল জেলা প্রশাসন ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শিল্পীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মাজার জিয়ারত, কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিলএবং সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনাকরোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প পরিসরে এসব কর্মসূচি পালিত হবে।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের এই দিনে নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ের নিভৃত পল্লি মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। চেহারার সঙ্গে মিলিয়ে পিতামাতা আদর করে নাম রাখেন লাল মিয়া। ৭০ বছরের বোহেমিয়ান জীবনে চিত্রশিল্পী সুলতান তার তুলির আঁচড়ে দেশ, মাটি, মাটির গন্ধ আর ঘামে ভেজা মেহনতি মানুষের সঙ্গে নিজেকে একাকার করে সৃষ্টি করেন বিশ্ববিখ্যাত সব ছবি।

১৯৫০ সালে ইউরোপ সফরের সময় যৌথ প্রদর্শনীতে তার ছবি সমকালীন বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো, ডুফি, সালভেদর দালি, পল ক্লি, কনেট, মাতিসের ছবির সঙ্গে প্রদর্শিত হয়। কালোত্তীর্ণ এই শিল্পী ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে সরকারের রেসিডেন্সিয়াল আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক পান। বরেণ্য এই শিল্পী ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।