শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি হামলা: মালিতে নিহত ৫১ গ্রামবাসী

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আফ্রিকার দেশ মালিতে ফের জঙ্গি হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে। গত শনিবার ও রবিবার নাইজার সীমান্ত সংলগ্ন তিনটি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। 

মালির সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র সংবাদসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, তিনটি গ্রাম কার্যত জনশূন্য করে দিয়েছে জঙ্গিরা। সেনাবাহিনী সেখানে পৌঁছে কেবল মৃতদেহের স্তূপ দেখেছে।

সরকারি হিসাবে, এখনো পর্যন্ত ওই ঘটনায় ৫১ জন মারা গেছে বলে জানানো হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। গ্রাম থেকে কেউ পালিয়ে বাঁচতে পেরেছে কি না, সে তথ্যও পাওয়া যায়নি।

কোনো জঙ্গি সংগঠন এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে আল কায়দা সমর্থিত কোনো গোষ্ঠী এ কাজ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। আফ্রিকার ইসলামিক স্টেটও (আইএস) এর সাথে যুক্ত থাকতে বলে সেনাবাহিনীর অন্য সূত্র জানিয়েছে।

নাইজার সীমান্তে যখন এ ঘটনা ঘটছে, তখনই মালির অন্য প্রান্তে বুরকিনা ফাসোয় সেনার সাথে তীব্র লড়াই হচ্ছে জঙ্গিদের। সেখানেও ১২ জন সেনা নিহত হয়েছেন।

মালির প্রেসিডেন্ট এই ঘটনার পর জানিয়েছেন, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান বন্ধ হবে না। বরং তা আরো জোরদার হবে। হত্যা করে সেনার মনোবল জঙ্গিরা ভাঙতে পারবে না।

মালি, নাইজার, নাইজেরিয়া ও বুরকিনা ফাসোর সীমান্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গিরা সক্রিয়। বোকো হারাম, আফ্রিকার আইএস ও আল কায়দার গোষ্ঠী সেখানে সক্রিয়। গত সপ্তাহেই তাদের হাতে অনেক সেনার মৃত্যু হয়েছে।

বস্তুত, মালিতে জঙ্গিদের মোকাবিলার জন্য আগেই সেনা পাঠিয়েছিল জাতিসংঘ। কিন্তু তাদের উপস্থিতিতেই একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে।

– ডয়চে ভেলে

জঙ্গি হামলা: মালিতে নিহত ৫১ গ্রামবাসী

প্রকাশের সময় : ০৫:২৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আফ্রিকার দেশ মালিতে ফের জঙ্গি হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে। গত শনিবার ও রবিবার নাইজার সীমান্ত সংলগ্ন তিনটি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। 

মালির সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র সংবাদসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, তিনটি গ্রাম কার্যত জনশূন্য করে দিয়েছে জঙ্গিরা। সেনাবাহিনী সেখানে পৌঁছে কেবল মৃতদেহের স্তূপ দেখেছে।

সরকারি হিসাবে, এখনো পর্যন্ত ওই ঘটনায় ৫১ জন মারা গেছে বলে জানানো হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। গ্রাম থেকে কেউ পালিয়ে বাঁচতে পেরেছে কি না, সে তথ্যও পাওয়া যায়নি।

কোনো জঙ্গি সংগঠন এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে আল কায়দা সমর্থিত কোনো গোষ্ঠী এ কাজ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। আফ্রিকার ইসলামিক স্টেটও (আইএস) এর সাথে যুক্ত থাকতে বলে সেনাবাহিনীর অন্য সূত্র জানিয়েছে।

নাইজার সীমান্তে যখন এ ঘটনা ঘটছে, তখনই মালির অন্য প্রান্তে বুরকিনা ফাসোয় সেনার সাথে তীব্র লড়াই হচ্ছে জঙ্গিদের। সেখানেও ১২ জন সেনা নিহত হয়েছেন।

মালির প্রেসিডেন্ট এই ঘটনার পর জানিয়েছেন, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান বন্ধ হবে না। বরং তা আরো জোরদার হবে। হত্যা করে সেনার মনোবল জঙ্গিরা ভাঙতে পারবে না।

মালি, নাইজার, নাইজেরিয়া ও বুরকিনা ফাসোর সীমান্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গিরা সক্রিয়। বোকো হারাম, আফ্রিকার আইএস ও আল কায়দার গোষ্ঠী সেখানে সক্রিয়। গত সপ্তাহেই তাদের হাতে অনেক সেনার মৃত্যু হয়েছে।

বস্তুত, মালিতে জঙ্গিদের মোকাবিলার জন্য আগেই সেনা পাঠিয়েছিল জাতিসংঘ। কিন্তু তাদের উপস্থিতিতেই একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে।

– ডয়চে ভেলে