মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে

ঢাকা ব্যুরো।।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধাপে ধাপে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেন। বাঙালির আত্মপরিচয়ের জায়গা করে দেন। এজন্য বছরের পর বছর তাকে জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। স্বাধীনতার পর সোনার বাংলাদেশ গড়তে নানা কর্মসূচি হাতে নেন বঙ্গবন্ধু।

মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার বাস্তব রূপায়ণকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল ঠিক, তবে সত্যের জয়কে ঠেকিয়ে রাখা যায় না। তাই তো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

কবির ভাষায়: ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা/ গৌরী মেঘনা বহমান/ততকাল রবে কীর্তি তোমার/শেখ মুজিবুর রহমান।/দিকে দিকে আজ অশ্রুগঙ্গা/রক্তগঙ্গা বহমান/তবু নাই নাই ভয় হবে হবে জয়/জয় মুজিবুর রহমান।’

পাকিস্তানের বিরোধিতা সত্ত্বেও স্বাধীনতা লাভের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। সীমিত শক্তির মধ্যে বঙ্গবন্ধু গড়ে তোলেন বাংলাদেশের নিজস্ব সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী। প্রণয়ন করেন সংবিধান।

এছাড়া এই অল্প সময়ের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু ভারতীয় সৈন্যবাহিনী প্রত্যাহার, মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা, জাতীয়করণ কর্মসূচি গ্রহণ, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়নসহ নানা যুগান্তকারী কাজ বাস্তবায়ন করেন। একই সঙ্গে শুরু করেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি প্রিয় দেশমাতৃকাকে সুনিপণ হাতে গড়ে তোলার কাজ।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রয়াত এইচটি ইমাম তার ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১-৭৫’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘পোড়ামাটি নীতি অবলম্বন করে পাকিস্তানিরা বাংলাদেশকে এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে, সারা দেশের মানুষজনের হাতে তখন মাত্র চার কোটি টাকার মতো ছিল।

বৈদেশিক মুদ্রার কোনো মজুদ বাংলাদেশ ব্যাংকে ছিল না। মাত্র ১০ হাজারের মতো নথি দিয়ে শুরু হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয়। বঙ্গবন্ধু যেদিন টেলিফোনে কথা বলতে শুরু করেন সেদিন ঢাকা জেলা থেকে মাত্র তিনটি জেলার সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল।’

সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। ষড়যন্ত্রকারীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শ ও চেতনাকে হত্যা করতে পারেনি। হত্যা করতে পারেনি তার লালিত স্বপ্নকে। বঙ্গবন্ধু যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারই কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ সেই লক্ষ্যের দিকেই অদম্যগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

দুদকের তদন্তে বেনজীর আহমেদের ৭টি পাসপোর্টের সন্ধান

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধাপে ধাপে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেন। বাঙালির আত্মপরিচয়ের জায়গা করে দেন। এজন্য বছরের পর বছর তাকে জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। স্বাধীনতার পর সোনার বাংলাদেশ গড়তে নানা কর্মসূচি হাতে নেন বঙ্গবন্ধু।

মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার বাস্তব রূপায়ণকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল ঠিক, তবে সত্যের জয়কে ঠেকিয়ে রাখা যায় না। তাই তো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

কবির ভাষায়: ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা/ গৌরী মেঘনা বহমান/ততকাল রবে কীর্তি তোমার/শেখ মুজিবুর রহমান।/দিকে দিকে আজ অশ্রুগঙ্গা/রক্তগঙ্গা বহমান/তবু নাই নাই ভয় হবে হবে জয়/জয় মুজিবুর রহমান।’

পাকিস্তানের বিরোধিতা সত্ত্বেও স্বাধীনতা লাভের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। সীমিত শক্তির মধ্যে বঙ্গবন্ধু গড়ে তোলেন বাংলাদেশের নিজস্ব সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী। প্রণয়ন করেন সংবিধান।

এছাড়া এই অল্প সময়ের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু ভারতীয় সৈন্যবাহিনী প্রত্যাহার, মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা, জাতীয়করণ কর্মসূচি গ্রহণ, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়নসহ নানা যুগান্তকারী কাজ বাস্তবায়ন করেন। একই সঙ্গে শুরু করেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি প্রিয় দেশমাতৃকাকে সুনিপণ হাতে গড়ে তোলার কাজ।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রয়াত এইচটি ইমাম তার ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১-৭৫’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘পোড়ামাটি নীতি অবলম্বন করে পাকিস্তানিরা বাংলাদেশকে এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে, সারা দেশের মানুষজনের হাতে তখন মাত্র চার কোটি টাকার মতো ছিল।

বৈদেশিক মুদ্রার কোনো মজুদ বাংলাদেশ ব্যাংকে ছিল না। মাত্র ১০ হাজারের মতো নথি দিয়ে শুরু হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয়। বঙ্গবন্ধু যেদিন টেলিফোনে কথা বলতে শুরু করেন সেদিন ঢাকা জেলা থেকে মাত্র তিনটি জেলার সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল।’

সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। ষড়যন্ত্রকারীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শ ও চেতনাকে হত্যা করতে পারেনি। হত্যা করতে পারেনি তার লালিত স্বপ্নকে। বঙ্গবন্ধু যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারই কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ সেই লক্ষ্যের দিকেই অদম্যগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।