বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে চিকিৎসকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

যশোর ব্যুরো।।যশোরে আব্দুস সালাম সেলিম (৫৫) নামে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে শহরের বিমান অফিস পাড়া এলাকার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। ডা. আব্দুস সালাম সেলিম যশোর শহরতলীর নওদাগাঁয়ের সুলতান আহমেদের ছেলে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. আহমেদ তারেক শামস একই বিভাগের ডাক্তার শাহিনুর রহমান সোহানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, সকাল ৯টার দিকে ডা. সেলিমের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়।

ডা. সেলিমের স্ত্রী মনিরা বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সকালে তিনি রান্না করছিলেন। ওই সময় ডাক্তার সেলিম ঘরের কার্নিশে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মাস তিনেক ধরে ডা. সেলিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বগুড়ায় বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যেতে চাননি। এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তিনি মনে করছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, বদলিজনিত কারণে ডাক্তার সেলিম খুব পেরেশানিতে ছিলেন। অন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে তিনি চিকিৎসাও নিচ্ছিলেন। অনেকটা ভালো ছিলেন। গতকালও তিনি স্থানীয় একটি ক্লিনিকে বেশ কয়েকজন রোগী দেখেছেন বলে তার স্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

যশোরে চিকিৎসকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

যশোর ব্যুরো।।যশোরে আব্দুস সালাম সেলিম (৫৫) নামে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে শহরের বিমান অফিস পাড়া এলাকার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। ডা. আব্দুস সালাম সেলিম যশোর শহরতলীর নওদাগাঁয়ের সুলতান আহমেদের ছেলে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. আহমেদ তারেক শামস একই বিভাগের ডাক্তার শাহিনুর রহমান সোহানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, সকাল ৯টার দিকে ডা. সেলিমের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়।

ডা. সেলিমের স্ত্রী মনিরা বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সকালে তিনি রান্না করছিলেন। ওই সময় ডাক্তার সেলিম ঘরের কার্নিশে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মাস তিনেক ধরে ডা. সেলিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বগুড়ায় বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যেতে চাননি। এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তিনি মনে করছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, বদলিজনিত কারণে ডাক্তার সেলিম খুব পেরেশানিতে ছিলেন। অন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে তিনি চিকিৎসাও নিচ্ছিলেন। অনেকটা ভালো ছিলেন। গতকালও তিনি স্থানীয় একটি ক্লিনিকে বেশ কয়েকজন রোগী দেখেছেন বলে তার স্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।