মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুইডেনের টিকার উৎপাদন হবে বাংলাদেশে

ঢাকা ব্যুরো।। করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত পৃথিবী। মহামারী নিয়ন্ত্রণের বড় অস্ত্র এখন টিকা। এ পর্যন্ত যত টিকা এসেছে সব ইনজেশনের মাধ্যমে দিতে হয়। এবার এলো ভিন্নধর্মী ও আর কার্যকরী এক টিকার খবর।

সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, করোনার ন্যাজাল ও ইনহেলার টিকা আবিষ্কারের পথে তারা। নাক ও মুখ দিয়ে পাউডারের মতো স্প্রে করে নেয়া যাবে এই টিকা। সাফল্য এসেছে প্রাণীর দেহে প্রয়োগে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের চেষ্টায় সুইডেনের এই ব্যতিক্রম টিকার ট্রায়াল হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। বিএমআরসির অনুমোদন পেলে মানবদেহে প্রথম ধাপের পরীক্ষা সেপ্টেম্বরেই। সব ঠিক থাকলে জানুয়ারিতে টিকার উৎপাদনও হবে দেশেই।

এরইমধ্যে হয়েছে চুক্তিও। আগামী সপ্তাহে প্রটোকল জমা দেয়া হবে বিএমআরসিতে। অনুমোদন পেলে মানবদেহে প্রথম ধাপের পরীক্ষা সেপ্টেম্বরে। এরপর পর্যবেক্ষণ ৭০ দিন। সব ঠিক থাকলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে ১০ লাখ মানুষের ওপর পরীক্ষা ডিসেম্বরে। সিআরও হিসেবে থাকছে, আইসিডিডিআরবি সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল লিমিটেড- বিসিটিএল।

এবিষয়ে বাংলাদেশে টিকা পরীক্ষার প্রধান গবেষক অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, এই টিকার উৎপাদনও হবে বাংলাদেশেই। প্রাথমিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ কোটি ডোজ। বাংলাদেশকে প্রযুক্তি হস্তান্তরও করবে সুইডেন। দেশে টিকা উৎপাদন করবে ইউনিমেড ইউনিহেলথ।তুলনামূলক কম মূল্যে মিলবে এই টিকা। সংরক্ষণ করা যাবে যেকোনো তাপমাত্রায়।

সুইডেনের টিকার উৎপাদন হবে বাংলাদেশে

প্রকাশের সময় : ০৮:১৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।। করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত পৃথিবী। মহামারী নিয়ন্ত্রণের বড় অস্ত্র এখন টিকা। এ পর্যন্ত যত টিকা এসেছে সব ইনজেশনের মাধ্যমে দিতে হয়। এবার এলো ভিন্নধর্মী ও আর কার্যকরী এক টিকার খবর।

সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, করোনার ন্যাজাল ও ইনহেলার টিকা আবিষ্কারের পথে তারা। নাক ও মুখ দিয়ে পাউডারের মতো স্প্রে করে নেয়া যাবে এই টিকা। সাফল্য এসেছে প্রাণীর দেহে প্রয়োগে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের চেষ্টায় সুইডেনের এই ব্যতিক্রম টিকার ট্রায়াল হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। বিএমআরসির অনুমোদন পেলে মানবদেহে প্রথম ধাপের পরীক্ষা সেপ্টেম্বরেই। সব ঠিক থাকলে জানুয়ারিতে টিকার উৎপাদনও হবে দেশেই।

এরইমধ্যে হয়েছে চুক্তিও। আগামী সপ্তাহে প্রটোকল জমা দেয়া হবে বিএমআরসিতে। অনুমোদন পেলে মানবদেহে প্রথম ধাপের পরীক্ষা সেপ্টেম্বরে। এরপর পর্যবেক্ষণ ৭০ দিন। সব ঠিক থাকলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে ১০ লাখ মানুষের ওপর পরীক্ষা ডিসেম্বরে। সিআরও হিসেবে থাকছে, আইসিডিডিআরবি সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল লিমিটেড- বিসিটিএল।

এবিষয়ে বাংলাদেশে টিকা পরীক্ষার প্রধান গবেষক অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, এই টিকার উৎপাদনও হবে বাংলাদেশেই। প্রাথমিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ কোটি ডোজ। বাংলাদেশকে প্রযুক্তি হস্তান্তরও করবে সুইডেন। দেশে টিকা উৎপাদন করবে ইউনিমেড ইউনিহেলথ।তুলনামূলক কম মূল্যে মিলবে এই টিকা। সংরক্ষণ করা যাবে যেকোনো তাপমাত্রায়।