সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারত কথা বলতে দেয়নি নিরাপত্তা পরিষদে : পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।
আফগানিস্তান ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ভারত কথা বলতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি ভারতের এই আচরণকে পক্ষপাতমূলক আখ্যা দিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে এনিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো একই অভিযোগ আনলো ইসলামাবাদ।
এই মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করছে ভারত। গত ৬ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদে আফগান ইস্যুতে আরেক বৈঠকে কথা বলার সুযোগ পাইনি পাকিস্তান। সেবারও ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে ইসলামাবাদ।
সোমবারও নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে কথা বলার সুযোগ না পেয়ে দিল্লির কঠোর সমালোচনা করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহ মোহাম্মদ কোরেশি এক টুইট বার্তায় একে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, প্রতিবেশি দেশটিতে দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধে আফগানিস্তানের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশ পাকিস্তান।
শাহ মোহাম্মদ কোরেশি বলেন, পাকিস্তান সব সময়ই আফগানিস্তানে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চায়। তিনি দাবি করেন কাবুলের পাকিস্তান দূতাবাস নিরলসভাবে কাজ করে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভারত কথা বলতে দেয়নি নিরাপত্তা পরিষদে : পাকিস্তান

প্রকাশের সময় : ০২:০৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অগাস্ট ২০২১
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।
আফগানিস্তান ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ভারত কথা বলতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি ভারতের এই আচরণকে পক্ষপাতমূলক আখ্যা দিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে এনিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো একই অভিযোগ আনলো ইসলামাবাদ।
এই মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করছে ভারত। গত ৬ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদে আফগান ইস্যুতে আরেক বৈঠকে কথা বলার সুযোগ পাইনি পাকিস্তান। সেবারও ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে ইসলামাবাদ।
সোমবারও নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে কথা বলার সুযোগ না পেয়ে দিল্লির কঠোর সমালোচনা করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহ মোহাম্মদ কোরেশি এক টুইট বার্তায় একে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, প্রতিবেশি দেশটিতে দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধে আফগানিস্তানের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশ পাকিস্তান।
শাহ মোহাম্মদ কোরেশি বলেন, পাকিস্তান সব সময়ই আফগানিস্তানে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চায়। তিনি দাবি করেন কাবুলের পাকিস্তান দূতাবাস নিরলসভাবে কাজ করে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।