মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শার্শায় শিশুকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

শার্শা ব্যুরো ।। 
যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শুড়ারঘোপ গ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে নিজ মেয়েকে বিষ খাইয়ে মাও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুন (৩০) ও তার মেয়ে আঁখি মনি (৬)। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রতিবেশীরা জানান, ৩ বছর আগে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সুমি খাতুন তার শিশু কন্যা আঁখি মনিকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। এ নিয়ে সুমির মায়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হতো তার। মঙ্গলবার মা তাকে এ নিয়ে বকাঝকা করেন। এরপর তার ও মায়ের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। পারিবারিক কলহ ও মায়ের ওপর অভিমান থেকে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা প্রতিবেশীদের।
এ বিষয়ে লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোমিনুল হোসেন জানান, মেয়েটার বিয়ের পর সংসারে ঝামেলার কারণে বিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকে সুমি খাতুন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মায়ের সাথে পারিবারিক বিষয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রাত ৮ টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় এই সুযোগে সুমি খাতুন প্রথমে মেয়েকে বিষপান করান তার পর নিজেও বিষপান করেন। খবর পেয়ে তার পরিবার ও এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আখি মনি (৬) কে মৃত ঘোষণা করেন এবং মা সুমি খাতুনকে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০ টার দিকে সুমি খাতুন মারা যান। মরদেহ দুটি বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম খান জানান, মা- মেয়ের মৃত্যুর ঘটনা শুনেছি। বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনের ৫মাসের মধ্যেই ‘বিপর্যয়’ রাম মন্দিরের, ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে

শার্শায় শিশুকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ১১:১৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অগাস্ট ২০২১
শার্শা ব্যুরো ।। 
যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শুড়ারঘোপ গ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে নিজ মেয়েকে বিষ খাইয়ে মাও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুন (৩০) ও তার মেয়ে আঁখি মনি (৬)। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রতিবেশীরা জানান, ৩ বছর আগে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সুমি খাতুন তার শিশু কন্যা আঁখি মনিকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। এ নিয়ে সুমির মায়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হতো তার। মঙ্গলবার মা তাকে এ নিয়ে বকাঝকা করেন। এরপর তার ও মায়ের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। পারিবারিক কলহ ও মায়ের ওপর অভিমান থেকে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা প্রতিবেশীদের।
এ বিষয়ে লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোমিনুল হোসেন জানান, মেয়েটার বিয়ের পর সংসারে ঝামেলার কারণে বিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকে সুমি খাতুন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মায়ের সাথে পারিবারিক বিষয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রাত ৮ টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় এই সুযোগে সুমি খাতুন প্রথমে মেয়েকে বিষপান করান তার পর নিজেও বিষপান করেন। খবর পেয়ে তার পরিবার ও এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আখি মনি (৬) কে মৃত ঘোষণা করেন এবং মা সুমি খাতুনকে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০ টার দিকে সুমি খাতুন মারা যান। মরদেহ দুটি বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম খান জানান, মা- মেয়ের মৃত্যুর ঘটনা শুনেছি। বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হচ্ছে।