বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি : ২০ হাজার আফগানকে আশ্রয় দেবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

কয়েক মাস ধরে আফগানিস্তানে তালেবানদের নিয়ন্ত্রণ বাড়তে থাকলে বিদেশি বাহিনীর সহায়তাদানকারী স্থানীয়রা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। রবিবার কাবুলের পতনের পর পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছে। বিমানে চড়ে দেশত্যাগের জন্য হুড়োহুড়ির অমানবিক অবস্থা নিয়ে খবর হয়েছে গণমাধ্যমে।

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আগামী বছরগুলোকে ২০ হাজারের মতো আফগানকে আশ্রয় দেবে তারা।

বিবিসি জানায়, প্রথম বছরে ৫ হাজারের মতো শরণার্থী বৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবে। নারী, কিশোরী ও আরও যাদের বেশি সাহায্য দরকার, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। ডেইলি টেলিগ্রাফে এক নিবন্ধে দেশটির স্বরাষ্ট্রসচিব প্রীতি প্যাটেল অন্য দেশগুলোরও সাহায্য চান। তার মতে, আমরা একা কাজটি করতে পারবো না।

তবে বিরোধী দলগুলো এ পদক্ষেপকে যথেষ্ট মনে করছে না। তাদের মতে, আরও বেশি মানুষের সাহায্য দরকার। এ সংখ্যা শুরুতে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার হওয়া উচিত। বিশেষ করে প্রথম বছরে ৫ হাজার শরণার্থীকে আশ্রয় প্রয়োজনের তুলনায় একদমই কম। এ পরিকল্পনার শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্যের জন্য দোভাষী ও অন্যান্য কাজে নিয়োজিত কর্মীরা।

এ দিকে আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্কের জন্য হাউস অব কমন্সে বুধবার অধিবেশন ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানায়, কাবুলের পতন নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেছেন জনসন। তারা আফগান পরিস্থিতিতে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ জানান। যত দূর সম্ভব বেশি মানুষকে দেশত্যাগে তারা সাহায্য করবেন।

এর আগে সিরিয়ার যুদ্ধে এ ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর আওতায় ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার শরণার্থীকে সরিয়ে আনা হয়।

দীর্ঘ ২০ বছর পর রবিবার আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে রাজধানী কাবুল দখল করে নেয় তালেবান যোদ্ধারা।

তালেবানের অগ্রযাত্রার মুখে দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি। বর্তমানে তালেবানের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

এ দিকে তালেবান সরকারের সঙ্গে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’ চায় বলে জানিয়েছে চীন। এ ছাড়া রাশিয়া, ইরান এবং পাকিস্তানও তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি : ২০ হাজার আফগানকে আশ্রয় দেবে

প্রকাশের সময় : ০৩:৩১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অগাস্ট ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

কয়েক মাস ধরে আফগানিস্তানে তালেবানদের নিয়ন্ত্রণ বাড়তে থাকলে বিদেশি বাহিনীর সহায়তাদানকারী স্থানীয়রা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। রবিবার কাবুলের পতনের পর পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছে। বিমানে চড়ে দেশত্যাগের জন্য হুড়োহুড়ির অমানবিক অবস্থা নিয়ে খবর হয়েছে গণমাধ্যমে।

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আগামী বছরগুলোকে ২০ হাজারের মতো আফগানকে আশ্রয় দেবে তারা।

বিবিসি জানায়, প্রথম বছরে ৫ হাজারের মতো শরণার্থী বৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবে। নারী, কিশোরী ও আরও যাদের বেশি সাহায্য দরকার, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। ডেইলি টেলিগ্রাফে এক নিবন্ধে দেশটির স্বরাষ্ট্রসচিব প্রীতি প্যাটেল অন্য দেশগুলোরও সাহায্য চান। তার মতে, আমরা একা কাজটি করতে পারবো না।

তবে বিরোধী দলগুলো এ পদক্ষেপকে যথেষ্ট মনে করছে না। তাদের মতে, আরও বেশি মানুষের সাহায্য দরকার। এ সংখ্যা শুরুতে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার হওয়া উচিত। বিশেষ করে প্রথম বছরে ৫ হাজার শরণার্থীকে আশ্রয় প্রয়োজনের তুলনায় একদমই কম। এ পরিকল্পনার শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্যের জন্য দোভাষী ও অন্যান্য কাজে নিয়োজিত কর্মীরা।

এ দিকে আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্কের জন্য হাউস অব কমন্সে বুধবার অধিবেশন ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানায়, কাবুলের পতন নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেছেন জনসন। তারা আফগান পরিস্থিতিতে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ জানান। যত দূর সম্ভব বেশি মানুষকে দেশত্যাগে তারা সাহায্য করবেন।

এর আগে সিরিয়ার যুদ্ধে এ ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর আওতায় ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার শরণার্থীকে সরিয়ে আনা হয়।

দীর্ঘ ২০ বছর পর রবিবার আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে রাজধানী কাবুল দখল করে নেয় তালেবান যোদ্ধারা।

তালেবানের অগ্রযাত্রার মুখে দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি। বর্তমানে তালেবানের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

এ দিকে তালেবান সরকারের সঙ্গে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’ চায় বলে জানিয়েছে চীন। এ ছাড়া রাশিয়া, ইরান এবং পাকিস্তানও তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।