রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পানির নিচে জাদুঘর

বার্তাকণ্ঠ ডেস্ক ।।
ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসের উপকূলীয় অঞ্চল আইয়া নাপার পেরনেরা সৈকতের সাগর পানির নিচে এক জাদুঘরের কথা জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। দ্য মিউজিয়াম অব আন্ডারওয়ার্ল্ড স্কালপচার ইন সাইপ্রাস (মুসান) নামের ওই জাদুঘরটি গড়েছেন চিত্রকর জ্যাসন ডি কেইরেস টেইলর। ১১ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ওই জাদুঘরে রয়েছে ৯৩টি ভাস্কর্য।
এর আগে, মেক্সিকো ও গ্রানাডায় জলের নিচে গড়ে তোলা ভাস্কর্য জাদুঘরে স্থান পায় তার নির্মিত বেশ কিছু ভাস্কর্য।
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির কথা বিবেচনায় রেখে জাদুঘরটি গড়ে তোলা হয়েছে। এই জাদুঘরে এমনও গাছের ভাস্কর্য রয়েছে, যেগুলোর ওজন ১৩ টনেরও বেশি। এ ছাড়া মানুষের নানা ভাস্কর্যের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
ভূমধ্যসাগরের তলদেশে গাছের ভাস্কর্য দিয়ে গড়ে তোলা এমন একটি বাগান দর্শনার্থীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। সেখানে দেখতে পাওয়া যাবে, সারি সারি গাছ। সেই বাগানের একটি বড় গাছের ছায়াতলে দাঁড়িয়ে জিরিয়ে নিচ্ছেন এক ব্যক্তি। যেনো গ্রামের দৃশ্য। কিন্তু সাগরতলে এমন দৃশ্যের কথা কল্পনাও করা যায় না।
সাগরতলে জাদুঘরটি গড়ে তোলার বিষয়ে সিএনএনকে টেইলর বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, আবাসস্থল ধ্বংস ও পরিবেশ দূষণের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি।

পানির নিচে জাদুঘর

প্রকাশের সময় : ০৪:১৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১
বার্তাকণ্ঠ ডেস্ক ।।
ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসের উপকূলীয় অঞ্চল আইয়া নাপার পেরনেরা সৈকতের সাগর পানির নিচে এক জাদুঘরের কথা জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। দ্য মিউজিয়াম অব আন্ডারওয়ার্ল্ড স্কালপচার ইন সাইপ্রাস (মুসান) নামের ওই জাদুঘরটি গড়েছেন চিত্রকর জ্যাসন ডি কেইরেস টেইলর। ১১ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ওই জাদুঘরে রয়েছে ৯৩টি ভাস্কর্য।
এর আগে, মেক্সিকো ও গ্রানাডায় জলের নিচে গড়ে তোলা ভাস্কর্য জাদুঘরে স্থান পায় তার নির্মিত বেশ কিছু ভাস্কর্য।
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির কথা বিবেচনায় রেখে জাদুঘরটি গড়ে তোলা হয়েছে। এই জাদুঘরে এমনও গাছের ভাস্কর্য রয়েছে, যেগুলোর ওজন ১৩ টনেরও বেশি। এ ছাড়া মানুষের নানা ভাস্কর্যের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
ভূমধ্যসাগরের তলদেশে গাছের ভাস্কর্য দিয়ে গড়ে তোলা এমন একটি বাগান দর্শনার্থীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। সেখানে দেখতে পাওয়া যাবে, সারি সারি গাছ। সেই বাগানের একটি বড় গাছের ছায়াতলে দাঁড়িয়ে জিরিয়ে নিচ্ছেন এক ব্যক্তি। যেনো গ্রামের দৃশ্য। কিন্তু সাগরতলে এমন দৃশ্যের কথা কল্পনাও করা যায় না।
সাগরতলে জাদুঘরটি গড়ে তোলার বিষয়ে সিএনএনকে টেইলর বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, আবাসস্থল ধ্বংস ও পরিবেশ দূষণের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি।