রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে আশুরার মিছিলে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৩

আন্তজার্তিক ডেস্ক।। 

আশুরা উপলক্ষে পাকিস্তানে শিয়া মুসলিমদের এক মিছিলে বোমা বিস্ফোরণে ৩ জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জনের বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালনগর শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

বাহাওয়ালনগরের স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা কাশিফ হোসেনের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বিস্ফোরণের ধরন এখনো স্পষ্ট হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছেন।’

বিস্ফোরণের ফলে আহত, রক্তাক্তদের সড়কে পড়ে থাকার ছবি ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিমধ্যে দেশটির বড় শহরগুলোতে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের অনেক শহরের বাসিন্দারা মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সংযোগ পাচ্ছেন না। যেসব সড়কে আশুরার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে সেগুলোও আপাতত বন্ধ রাখা আছে বলে জানা গেছে।

৬৮০ খ্রিস্টাব্দে আরবি মহররম মাসে ইসলামের খিলাফত নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে খিলাফত দাবিদার ইয়াজিদ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছিল মহানবীর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রঃ) নেতৃত্বাধীন বাহিনীর। যুদ্ধে নির্মমভাবে নিহত হন ইমাম হোসেন (রঃ)। মহররমের ১০ তারিখ বা আশুরার দিন নিহত হয়েছিলেন ইমাম হোসেন (রঃ)।

৬৪০ খ্রিস্টাব্দে মহানবীর ইন্তেকালের পর খিলাফত প্রশ্নেই আরবের মুসলিম সমাজে বিভেদ দেখা দেয় এবং মহানবীর চাচাত ভাই ও ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রঃ)-এর অনুসারী ও সমর্থকরা নিজেদের ‘শিয়াত-ই-আলী’ বা আলীগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করে পৃথক হন। সেই থেকে ইসলামে সুন্নি ও শিয়া- দুই প্রধান গোত্রের উদ্ভব।

আশুরার দিনটি সুন্নি মুসলিমদের কাছেও পবিত্র দিন হিসেবে বিবেচিত, কিন্তু শিয়া মুসলিমরা অনেক ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই দিনটি পালন করেন। এ উপলক্ষে ইমাম হোসেনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মিছিল করা শিয়া সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ।

পাকিস্তানে আশুরার মিছিলে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৩

প্রকাশের সময় : ১০:০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১

আন্তজার্তিক ডেস্ক।। 

আশুরা উপলক্ষে পাকিস্তানে শিয়া মুসলিমদের এক মিছিলে বোমা বিস্ফোরণে ৩ জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জনের বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালনগর শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

বাহাওয়ালনগরের স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা কাশিফ হোসেনের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বিস্ফোরণের ধরন এখনো স্পষ্ট হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছেন।’

বিস্ফোরণের ফলে আহত, রক্তাক্তদের সড়কে পড়ে থাকার ছবি ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিমধ্যে দেশটির বড় শহরগুলোতে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের অনেক শহরের বাসিন্দারা মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সংযোগ পাচ্ছেন না। যেসব সড়কে আশুরার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে সেগুলোও আপাতত বন্ধ রাখা আছে বলে জানা গেছে।

৬৮০ খ্রিস্টাব্দে আরবি মহররম মাসে ইসলামের খিলাফত নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে খিলাফত দাবিদার ইয়াজিদ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছিল মহানবীর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রঃ) নেতৃত্বাধীন বাহিনীর। যুদ্ধে নির্মমভাবে নিহত হন ইমাম হোসেন (রঃ)। মহররমের ১০ তারিখ বা আশুরার দিন নিহত হয়েছিলেন ইমাম হোসেন (রঃ)।

৬৪০ খ্রিস্টাব্দে মহানবীর ইন্তেকালের পর খিলাফত প্রশ্নেই আরবের মুসলিম সমাজে বিভেদ দেখা দেয় এবং মহানবীর চাচাত ভাই ও ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রঃ)-এর অনুসারী ও সমর্থকরা নিজেদের ‘শিয়াত-ই-আলী’ বা আলীগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করে পৃথক হন। সেই থেকে ইসলামে সুন্নি ও শিয়া- দুই প্রধান গোত্রের উদ্ভব।

আশুরার দিনটি সুন্নি মুসলিমদের কাছেও পবিত্র দিন হিসেবে বিবেচিত, কিন্তু শিয়া মুসলিমরা অনেক ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই দিনটি পালন করেন। এ উপলক্ষে ইমাম হোসেনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মিছিল করা শিয়া সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ।