বিনোদন ডেস্ক ।।
সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে পবনদীপের সঙ্গে বন্ধুত্ব, ইন্ডিয়ান আইডলের সফর ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেন অরুনিতা। তিনি জানান, পবনদীপ বিজয়ী হওয়ায় তার এতটুকু কষ্ট নেই। কখনও মনে হয়নি, তারা একে অন্যের প্রতিযোগী।
গানের রিয়্যালিটি শো ইন্ডিয়ান আইডলের জার্নি ইতোমধ্যে শেষ। সদ্যই মুম্বাই থেকে নিজের জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ ফিরেছেন এই শোয়ের প্রথম রানারআপ অরুনিতা কাঞ্জিলাল। নিজের স্বপ্ন লক্ষ্যে খুব শিগগির আবার মুম্বাই উড়ে যাবেন তিনি। তার আগে কয়েকটা দিন পরিবারের সঙ্গে কাটাচ্ছেন।
টানা ১০টি মাস কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে অরুণিতাকে। এবার কয়েকটা দিন বিশ্রামের পালা। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর মঞ্চে অরুনিতা আর পবনদীপের রসায়ন ছিল নজরকাড়া, দুজনেই একসঙ্গে প্রচুর গান গেয়েছেন। রিয়ালিটি শো-এর মঞ্চে দুজনের ভালোবাসার গল্পও ফাঁদা হয়েছিল। সেই গল্প কতটা সত্যি না পুরোটাই সাজানো তা তো ভবিষ্যতই বলবে।
তিনি বলেন, ‘সবাই গানটাকে ভালোবেসে কাজ করতাম। পবনদীপের সঙ্গেই আমি সবচেয়ে বেশি ডুয়েট গেয়েছি। ফাইনালে যারা ছিল প্রত্যেকেই বিজয়ী হওয়ার যোগ্য। পবনদীপ জয়ী তাতে আমরা সকলে খুশি। অন্য কেউ হলেও একই প্রতিক্রিয়া হতো।’
এত প্রশংসা চারদিকে, প্রেম প্রস্তাব পাচ্ছেন? সাক্ষাৎকারে অরুনিতাকে এই প্রশ্নও করা হয়। উত্তরে তিনি বলেন, ‘প্রচুর প্রস্তাব আসছে। ই-মেইলে তো লোকজন সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছে। সেখানে বাড়ির ঠিকানা, ফোন নম্বরও লিখে দেয়। বলে, তোমাকে বিয়ে করব। এগুলো দেখে খুব মজা লাগে। ছোটবেলায় মায়ের কাছেই প্রথম সংগীত শিক্ষা শুরু অরুনিতার। বাবা-মা কোনোদিন তার উপর কোনোকিছু চাপিয়ে দেননি, এখনও দেন না। তাই প্রতিযোগিতা জেতার চাপ কোনোদিন তার ছিল না বলে জানান অরুণিতা।
ইন্ডিয়ান আইডলের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এতো বড় বড় শিল্পীরা আমাদের শোতে এসেছে, আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি তাদের সামনে আমি গাইতে পারব। এ আর রহমান স্যার যখন এসেছিলেন, তখন তো গোটা শো জুড়ে নিস্তব্ধতা ছিল।’
‘আশাজি তো আমার আইডল। ওঁনার মুখ থেকে আমার সম্পর্কে একটা শব্দ শোনাও আমার কাছে অনেক। উনি বলেছিলেন, তোমাকে কেউ রুখতে পারবে না। এটা শোনার চেয়ে বড় পাওনা আর কী বা হতে পারে?’
ইন্ডিয়ান আইডল অরুনিতা ক্যারিয়ারের শুরু। সামনে বিরাট জার্নি- এ কথা ভালোভাবেই জানেন অরুণিতা। বলিউডে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসাবে নিজের জায়গা পাকা করতে চান পশ্চিমবঙ্গের এই মেয়ে। এর জন্য আরও বেশি পরিশ্রম করতে উদ্যোগী হওয়ার কথা জানান অরুনিতা। বলেন, নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho