মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাঙরের আক্রমণে প্রাণ গেল যুবকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের আক্রমণে প্রাণ গেল এক সার্ফারের। পুলিশ জানায়, অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে সার্ফিংয়ের সময় গভীর সমুদ্রে চলে গেলে হাঙরের আক্রমণের শিকার হন ওই সার্ফার।

সার্ফিংয়ের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের এমারাল্ড সমুদ্রসৈকত। রোববার সকালে সেখানে সার্ফিংয়ের জন্য যান এক দল সার্ফার।

 সার্ফিংয়ের একপর্যায়ে ২০ বছর বয়সী এক যুবক গভীর সমুদ্রে চলে গেলে শার্কের আক্রমণের শিকার হন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নেয়া হয় আইসিইউতে।
 
পুলিশ জানায়, হাঙরটি প্রথমে যুবকটির হাতে আঘাত করে। এরপর কাঁধে কামড় দিলে যুবকটি গুরুতর যখম হন। আইসিউতে ভর্তি করার পর ছেলেটির মৃত্যু হয়। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এটি আমাদের জন্য খুবই দুঃখের। দুটি উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টার দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাকে আমরা বাঁচাতে পারিনি।

এ ঘটনার পর সমুদ্র সৈকতের ২০ কিলোমিটার এলাকা জনসাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস অ্যাম্বুলেন্স তার টুইটার অ্যাকাউন্টে জানায়, প্রত্যক্ষদর্শী, প্যারামেডিক্স এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবাগুলোর সর্বোত্তম প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রোগী ঘটনাস্থলে মারা যায়।  হাঙরের কামড় তার বাহুতে লেগেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কফস হারবার লাইফগার্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কফস হারবার থেকে প্রায় ২০ কিমি (১২ মাইল) উত্তরে সমুদ্রসৈকতটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সৈকতের আশপাশে জনসাধারণকে ভিড় এড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে।
 
ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার ইন্টারন্যাশনাল শার্ক অ্যাটাক ফাইলের মতে, এ ঘটনা দেশটিতে প্রথম নয়।
 গত বছর অস্ট্রেলিয়ার উপকূলগুলোতে হাঙরের ২৭টি আক্রমণের ঘটনা ঘটে। এমনতিই অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকুলে হাঙরের উপদ্রব রয়েছে। যে কারণে তারা এই সৈকতগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনায় নিয়ন্ত্রণ করার কথা প্রশাসনকে জানিয়েছে।

হাঙরের আক্রমণে প্রাণ গেল যুবকের

প্রকাশের সময় : ১১:২২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের আক্রমণে প্রাণ গেল এক সার্ফারের। পুলিশ জানায়, অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে সার্ফিংয়ের সময় গভীর সমুদ্রে চলে গেলে হাঙরের আক্রমণের শিকার হন ওই সার্ফার।

সার্ফিংয়ের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের এমারাল্ড সমুদ্রসৈকত। রোববার সকালে সেখানে সার্ফিংয়ের জন্য যান এক দল সার্ফার।

 সার্ফিংয়ের একপর্যায়ে ২০ বছর বয়সী এক যুবক গভীর সমুদ্রে চলে গেলে শার্কের আক্রমণের শিকার হন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নেয়া হয় আইসিইউতে।
 
পুলিশ জানায়, হাঙরটি প্রথমে যুবকটির হাতে আঘাত করে। এরপর কাঁধে কামড় দিলে যুবকটি গুরুতর যখম হন। আইসিউতে ভর্তি করার পর ছেলেটির মৃত্যু হয়। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এটি আমাদের জন্য খুবই দুঃখের। দুটি উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টার দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাকে আমরা বাঁচাতে পারিনি।

এ ঘটনার পর সমুদ্র সৈকতের ২০ কিলোমিটার এলাকা জনসাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস অ্যাম্বুলেন্স তার টুইটার অ্যাকাউন্টে জানায়, প্রত্যক্ষদর্শী, প্যারামেডিক্স এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবাগুলোর সর্বোত্তম প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রোগী ঘটনাস্থলে মারা যায়।  হাঙরের কামড় তার বাহুতে লেগেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কফস হারবার লাইফগার্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কফস হারবার থেকে প্রায় ২০ কিমি (১২ মাইল) উত্তরে সমুদ্রসৈকতটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সৈকতের আশপাশে জনসাধারণকে ভিড় এড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে।
 
ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার ইন্টারন্যাশনাল শার্ক অ্যাটাক ফাইলের মতে, এ ঘটনা দেশটিতে প্রথম নয়।
 গত বছর অস্ট্রেলিয়ার উপকূলগুলোতে হাঙরের ২৭টি আক্রমণের ঘটনা ঘটে। এমনতিই অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকুলে হাঙরের উপদ্রব রয়েছে। যে কারণে তারা এই সৈকতগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনায় নিয়ন্ত্রণ করার কথা প্রশাসনকে জানিয়েছে।