সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নতুন আইন করে গণমাধমের কণ্ঠরোধ করতে চায় পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

নতুন ‘মিডিয়া অথরিটি’ বিলের মাধ্যমে ইমরান খানের সরকার পাকিস্তানের গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন ‘পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টে’র (পিডিএম) প্রধান মাওলানা ফজলুর রেহমান। এক প্রতিবেদনে এই খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এএনআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মিডিয়া গ্রুপগুলোর বিরোধিতা সত্ত্বেও ‘পাকিস্তান মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (পিএমডিএ)’ নামে ওই বিল পাশের তোড়জোড় চালাচ্ছে ক্ষমতাসীন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। অথচ পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো এই আইনকে ‘কঠোর’ বলে অভিহিত করেছে।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, মাওলানা ফজলুর রেহমান যিনি পাকিস্তানের কয়েকটি বিরোধী দলীয় জোটের নেতা, তিনি এই আইনের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের পক্ষে দাঁড়াবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

গত শুক্রবার দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলেন তিনি বলেন, গণতন্ত্র বিকাশ ও জনগণের পক্ষে কথা বলায় সংবাদমাধ্যম সবসময়ই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কিন্তু যুগে যুগে অত্যাচারী রাজা ও স্বৈরশাসকরা গণমাধ্যমকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা ইমরান খানের সরকারও একই কাজ করছে।

এর আগে, গত মাসে তিনি অন্য একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, পাকিস্তানের কোনো সাংবিধানিক শাসন নেই, এখানে সাংবাদিকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে।

ফ্রিডম নেটওয়ার্কের বার্ষিক ‘গণমাধম স্বাধীনতা ২০২১’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী- বিশ্বে সাংবাদিকতা চর্চার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে পাকিস্তান। প্রতিবেদনে দেশটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা ও হয়রানির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে বলে জানানো হয়।

দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- এপ্রিল ২০২০ সাল থেকে মে ২০২১ সাল পর্যন্ত এক বছরে পাকিস্তানে সাংবাদিক, সাংবাদিকতার বিভিন্ন খাতে কাজ করা ব্যক্তিদের ওপর অন্তত ১৪৮টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ৩ মে আন্তর্জাতিক মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী গতবছর এই সংখ্যা ছিল ৯১, সেই তুলনায় পাকিস্তানে গণমাধ্যম-সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা বৃদ্ধির হার এক বছরেই বেড়েছে ৪০ শতাংশ। সূত্রঃ সময় নিউজ

নতুন আইন করে গণমাধমের কণ্ঠরোধ করতে চায় পাকিস্তান

প্রকাশের সময় : ০৮:৫২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

নতুন ‘মিডিয়া অথরিটি’ বিলের মাধ্যমে ইমরান খানের সরকার পাকিস্তানের গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন ‘পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টে’র (পিডিএম) প্রধান মাওলানা ফজলুর রেহমান। এক প্রতিবেদনে এই খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এএনআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির মিডিয়া গ্রুপগুলোর বিরোধিতা সত্ত্বেও ‘পাকিস্তান মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (পিএমডিএ)’ নামে ওই বিল পাশের তোড়জোড় চালাচ্ছে ক্ষমতাসীন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। অথচ পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো এই আইনকে ‘কঠোর’ বলে অভিহিত করেছে।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, মাওলানা ফজলুর রেহমান যিনি পাকিস্তানের কয়েকটি বিরোধী দলীয় জোটের নেতা, তিনি এই আইনের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের পক্ষে দাঁড়াবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

গত শুক্রবার দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলেন তিনি বলেন, গণতন্ত্র বিকাশ ও জনগণের পক্ষে কথা বলায় সংবাদমাধ্যম সবসময়ই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কিন্তু যুগে যুগে অত্যাচারী রাজা ও স্বৈরশাসকরা গণমাধ্যমকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা ইমরান খানের সরকারও একই কাজ করছে।

এর আগে, গত মাসে তিনি অন্য একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, পাকিস্তানের কোনো সাংবিধানিক শাসন নেই, এখানে সাংবাদিকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে।

ফ্রিডম নেটওয়ার্কের বার্ষিক ‘গণমাধম স্বাধীনতা ২০২১’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী- বিশ্বে সাংবাদিকতা চর্চার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে পাকিস্তান। প্রতিবেদনে দেশটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা ও হয়রানির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে বলে জানানো হয়।

দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- এপ্রিল ২০২০ সাল থেকে মে ২০২১ সাল পর্যন্ত এক বছরে পাকিস্তানে সাংবাদিক, সাংবাদিকতার বিভিন্ন খাতে কাজ করা ব্যক্তিদের ওপর অন্তত ১৪৮টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ৩ মে আন্তর্জাতিক মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী গতবছর এই সংখ্যা ছিল ৯১, সেই তুলনায় পাকিস্তানে গণমাধ্যম-সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা বৃদ্ধির হার এক বছরেই বেড়েছে ৪০ শতাংশ। সূত্রঃ সময় নিউজ