সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাদের মির্জার সহযোগীসহ দু্‘জন গ্রেফতার

নোয়াখালী প্রতিনিধি ।।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার সহযোগী শহীদ উল্যাহ ওরফে কেচ্ছা রাসেল (৩১) এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী নজরুল ইসলাম শাহীন চৌধুরীকে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে চরহাজারী ইউনিয়ন থেকে শহীদ উল্যাহ রাসেল এবং উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনকে গ্রেফতার করে নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুপুরে তাদেরকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।
শহীদুল ইসলাম জানান, রাসেলের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় পুলিশ আক্রান্ত ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ১৫টি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইটিসহ মোট ২৩টি মামলা রয়েছে। আর শাহীনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক আইনে তিনটি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, গত আট মাস ধরে কাদের মির্জার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দ্বন্দ্ব চলছে। কাদের মির্জার সঙ্গে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মির্জানুর রহমান বাদলসহ তার কর্মী-সমর্থদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা-মামলার ঘটনা ঘটেছে।

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা,চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল

কাদের মির্জার সহযোগীসহ দু্‘জন গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০৩:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
নোয়াখালী প্রতিনিধি ।।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার সহযোগী শহীদ উল্যাহ ওরফে কেচ্ছা রাসেল (৩১) এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী নজরুল ইসলাম শাহীন চৌধুরীকে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে চরহাজারী ইউনিয়ন থেকে শহীদ উল্যাহ রাসেল এবং উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনকে গ্রেফতার করে নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুপুরে তাদেরকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।
শহীদুল ইসলাম জানান, রাসেলের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় পুলিশ আক্রান্ত ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ১৫টি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইটিসহ মোট ২৩টি মামলা রয়েছে। আর শাহীনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক আইনে তিনটি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, গত আট মাস ধরে কাদের মির্জার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দ্বন্দ্ব চলছে। কাদের মির্জার সঙ্গে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মির্জানুর রহমান বাদলসহ তার কর্মী-সমর্থদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা-মামলার ঘটনা ঘটেছে।