শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে গড়াই নদীর ভাঙ্গনে ফসলী জমি-ঘরবাড়ী বিলিন

মেহেদী হাসান রাজু, রাজবাড়ী।।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ও জঙ্গল ইউনিয়নর উপর দিয়ে প্রবাহিত গড়াই নদীর অব্যহত ভাঙ্গনের ফলে দিশেহারা হয় পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দার বলেন, বুধবার সকাল উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নর  সমাধিনগর মহাশ্মশানের চিতা চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও এ ইউনিয়নের চরপোটরা, পারোলিয়া,  হাবাসপুর গ্রামের, রনজিত মন্ডল ও হরেন মন্ডলের বাড়ি,  বিজয়নগরে হরেন মন্ডলের বাড়ি ও ফসলি জমিসহ নদীত বিলিন হয়েছে। কয়কদিন ধরে গড়াই নদীত পানি বদ্ধি ও হ্রাসের কারণ ভাঙ্গন বদ্ধি পয়েছে।
সমাধিনগর মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি আনন্দ মোহন বিশ্বাস বলেন, গড়াই নদীর পানি বদ্ধির কারণে ও ভাঙ্গন শ্মশানের চিতাটি সকালে চোখের সামনে নদীত বিলীন হয়েছে।
অপরদিকে, নারুয়া ইউনিয়নের মরাবিলা, জামসাপুর, নারুয়া, বাকসাডাঙ্গী, কোনাগ্রাম, সোনাকাদর এলাকায় ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে।
তবে মরাবিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গনের শিকার হয়ে ফসলী জমি, বেড়িবঁাধ নদীগর্ভ বিলীন হলেও সেখানে পানি উনয়ন বোর্ডের কোন রকম একটি জিও ব্যাগ না ফেলার কারণে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের  সৃষ্টি হয়েছে।
নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সালাম  বলেন, মরাবিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়াই নদীর ভাঙ্গনের ফলে পাকা সড়ক ও বড়িবঁাধ বিলীন হয়েছে।
প্রায় ৪শত বিঘা ফসলী জমি নদীত চলে গেছে। সেখানে ৩ দফা বেড়িবঁাধ নির্মাণ করা হলও কোন কাজে আসেনি। আমরা চাই পানি উনয়ন বোর্ডর উদ্যাোগে  স্থায়ী ভাঙ্গন প্রতিরাধ পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

বালিয়াকান্দিতে গড়াই নদীর ভাঙ্গনে ফসলী জমি-ঘরবাড়ী বিলিন

প্রকাশের সময় : ০৫:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
মেহেদী হাসান রাজু, রাজবাড়ী।।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ও জঙ্গল ইউনিয়নর উপর দিয়ে প্রবাহিত গড়াই নদীর অব্যহত ভাঙ্গনের ফলে দিশেহারা হয় পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দার বলেন, বুধবার সকাল উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নর  সমাধিনগর মহাশ্মশানের চিতা চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও এ ইউনিয়নের চরপোটরা, পারোলিয়া,  হাবাসপুর গ্রামের, রনজিত মন্ডল ও হরেন মন্ডলের বাড়ি,  বিজয়নগরে হরেন মন্ডলের বাড়ি ও ফসলি জমিসহ নদীত বিলিন হয়েছে। কয়কদিন ধরে গড়াই নদীত পানি বদ্ধি ও হ্রাসের কারণ ভাঙ্গন বদ্ধি পয়েছে।
সমাধিনগর মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি আনন্দ মোহন বিশ্বাস বলেন, গড়াই নদীর পানি বদ্ধির কারণে ও ভাঙ্গন শ্মশানের চিতাটি সকালে চোখের সামনে নদীত বিলীন হয়েছে।
অপরদিকে, নারুয়া ইউনিয়নের মরাবিলা, জামসাপুর, নারুয়া, বাকসাডাঙ্গী, কোনাগ্রাম, সোনাকাদর এলাকায় ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে।
তবে মরাবিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গনের শিকার হয়ে ফসলী জমি, বেড়িবঁাধ নদীগর্ভ বিলীন হলেও সেখানে পানি উনয়ন বোর্ডের কোন রকম একটি জিও ব্যাগ না ফেলার কারণে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের  সৃষ্টি হয়েছে।
নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সালাম  বলেন, মরাবিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়াই নদীর ভাঙ্গনের ফলে পাকা সড়ক ও বড়িবঁাধ বিলীন হয়েছে।
প্রায় ৪শত বিঘা ফসলী জমি নদীত চলে গেছে। সেখানে ৩ দফা বেড়িবঁাধ নির্মাণ করা হলও কোন কাজে আসেনি। আমরা চাই পানি উনয়ন বোর্ডর উদ্যাোগে  স্থায়ী ভাঙ্গন প্রতিরাধ পদক্ষেপ নেওয়া হোক।