বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আটক অপরাধ তথ্যচিত্র পত্রিকার সম্পাদক

বাগেরহাট প্রতিনিধি।।: জেলার পল্লীতে একজন শিক্ষকের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে চাঁদাবাজি করে হাতে-নাতে ধরা পড়েছে সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রকাশক ও ক্যামেরাম্যান। আর প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে গেছে তাদের সহযোগীরা। ধৃতরা হলেন, সাপ্তাহিক ‘অপরাধ তথ্যচিত্র’ নামের পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক পরিচয়দানকারী ফজলুল হক (৬০) ও তার ক্যামেরা পারসন বারাদুল ইসলাম (৪৩)। ফজলুল হক রাজবাড়ী জেলা সদরের ছেলে এবং বারাদুল ইসলাম বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। এরা খুলনার লবনচরা এলাকা থাকে বলে জানায়।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, প্রেস লেখা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে ৩/৪জনের একটি দল বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া মুক্ষাইট এলাকার মাদরাসা শিক্ষক শেখ হান্নানুর রহমানের বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের মধ্যে ছবি তুলতে থাকে। এসময় বাড়ির লোকজন এসে ছবি তোলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তাদের ধমক দিয়ে বলে শিক্ষক হান্নানুর রহমান অনিয়ম দুর্নীতি করেছে। এ অভিযোগ পেয়ে আমরা সাংবাদিকরা এখানে এসেছি। এক পর্যায়ে বলে এসব ঘটনার খবর প্রকাশ করলে ওই শিক্ষকের চাকুরি থাকবে না। তাই আমরা গাড়ি নিয়ে এসেছি আমাদের গাড়ি ভাড়া ও খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দিলে আর খবর করবোনা। এ মতাবস্থায় ওই শিক্ষক তাদের ৫ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করাকালে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে তাদের ধাওয়া দিয়ে মুনিগঞ্জ সেতু টোলের কাছে এসে প্রাইভেটকারসহ প্রথমে আটক করলেও পরে টোল এলাকা থেকে কয়েকজনের সহযোগীতায় চালক প্রাইভেটকারটি নিয়ে সটকে পড়ে। আর দুজন ধরা পড়ে। খবর পেয়ে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এ দু’জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ে একজন শিক্ষকের কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে এ দুজন ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক হান্নানুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। ধৃতদের এখানের সহযোগী কারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আটক অপরাধ তথ্যচিত্র পত্রিকার সম্পাদক

প্রকাশের সময় : ০৮:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাগেরহাট প্রতিনিধি।।: জেলার পল্লীতে একজন শিক্ষকের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে চাঁদাবাজি করে হাতে-নাতে ধরা পড়েছে সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রকাশক ও ক্যামেরাম্যান। আর প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে গেছে তাদের সহযোগীরা। ধৃতরা হলেন, সাপ্তাহিক ‘অপরাধ তথ্যচিত্র’ নামের পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক পরিচয়দানকারী ফজলুল হক (৬০) ও তার ক্যামেরা পারসন বারাদুল ইসলাম (৪৩)। ফজলুল হক রাজবাড়ী জেলা সদরের ছেলে এবং বারাদুল ইসলাম বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। এরা খুলনার লবনচরা এলাকা থাকে বলে জানায়।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, প্রেস লেখা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে ৩/৪জনের একটি দল বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া মুক্ষাইট এলাকার মাদরাসা শিক্ষক শেখ হান্নানুর রহমানের বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের মধ্যে ছবি তুলতে থাকে। এসময় বাড়ির লোকজন এসে ছবি তোলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তাদের ধমক দিয়ে বলে শিক্ষক হান্নানুর রহমান অনিয়ম দুর্নীতি করেছে। এ অভিযোগ পেয়ে আমরা সাংবাদিকরা এখানে এসেছি। এক পর্যায়ে বলে এসব ঘটনার খবর প্রকাশ করলে ওই শিক্ষকের চাকুরি থাকবে না। তাই আমরা গাড়ি নিয়ে এসেছি আমাদের গাড়ি ভাড়া ও খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দিলে আর খবর করবোনা। এ মতাবস্থায় ওই শিক্ষক তাদের ৫ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করাকালে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে তাদের ধাওয়া দিয়ে মুনিগঞ্জ সেতু টোলের কাছে এসে প্রাইভেটকারসহ প্রথমে আটক করলেও পরে টোল এলাকা থেকে কয়েকজনের সহযোগীতায় চালক প্রাইভেটকারটি নিয়ে সটকে পড়ে। আর দুজন ধরা পড়ে। খবর পেয়ে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এ দু’জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ে একজন শিক্ষকের কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে এ দুজন ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক হান্নানুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। ধৃতদের এখানের সহযোগী কারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।