রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে সোনা চোরাচালান মামলায় বৃদ্ধার ১৪ বছরের কারাদন্ড

যশোর প্রতিনিধি।। 

যশোরে সোনা চোরাচালান মামলায় মোক্তার আলী নামে এক বৃদ্ধকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র দায়রা জজ ও সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জজ আদালতের বিচারক মোঃ ইখিতয়িারুল ইসলাম মল্লিক এক রায়ে এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মোক্তার আলী যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার মৈশাডাঙ্গা বারোপোতা গ্রামের মৃত আজিবার মন্ডলের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পিপি এম ইদ্রিস আলী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ১২ সেপ্টেম্বর ২৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদ্যসরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে একটি যাত্রীবাহী বাসে যশোর হয়ে বেনাপোল দিয়ে সোনা পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। এ সংবাদের সতত্যা যাচাইয়ের দুপুর ১টার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের রজনীগন্ধা পাম্পের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করে স্যাটালিয়নের সদস্যরা। এরমধ্যে বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা জিএম এন্টারপ্রাইজ (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-১৩১৭) থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক ভাবে মোক্তার আলীকে আটক ও তার দেহ তল্লাশি করে জুতার ভিতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১২টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ১ কেজি ৪শ’ গ্রাম। এ ব্যাপারে সুবেদার বাদশা মিয়া বাদী হয়ে চোরাচালান দমন আইনে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় কারওছার আলীকে অভিযুক্ত করে আদালতে ওই বছর চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম।
এ মামলার দীর্ঘ স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি কাওছার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত কাওছার আলী কারাগারে আটক আছে।

যশোরে সোনা চোরাচালান মামলায় বৃদ্ধার ১৪ বছরের কারাদন্ড

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

যশোর প্রতিনিধি।। 

যশোরে সোনা চোরাচালান মামলায় মোক্তার আলী নামে এক বৃদ্ধকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র দায়রা জজ ও সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জজ আদালতের বিচারক মোঃ ইখিতয়িারুল ইসলাম মল্লিক এক রায়ে এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মোক্তার আলী যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার মৈশাডাঙ্গা বারোপোতা গ্রামের মৃত আজিবার মন্ডলের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পিপি এম ইদ্রিস আলী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ১২ সেপ্টেম্বর ২৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদ্যসরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে একটি যাত্রীবাহী বাসে যশোর হয়ে বেনাপোল দিয়ে সোনা পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। এ সংবাদের সতত্যা যাচাইয়ের দুপুর ১টার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের রজনীগন্ধা পাম্পের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করে স্যাটালিয়নের সদস্যরা। এরমধ্যে বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা জিএম এন্টারপ্রাইজ (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-১৩১৭) থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক ভাবে মোক্তার আলীকে আটক ও তার দেহ তল্লাশি করে জুতার ভিতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১২টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ১ কেজি ৪শ’ গ্রাম। এ ব্যাপারে সুবেদার বাদশা মিয়া বাদী হয়ে চোরাচালান দমন আইনে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় কারওছার আলীকে অভিযুক্ত করে আদালতে ওই বছর চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম।
এ মামলার দীর্ঘ স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি কাওছার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত কাওছার আলী কারাগারে আটক আছে।