শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে ব্রীজ হেলে পড়ায়, দুর্ভোগ চরমে

মেহেদী হাসান রাজু, রাজবাড়ী।।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার সাথে বালিয়াকান্দি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম সড়কের নির্মাণকৃত ত্রাণের ব্রীজ হেলে পড়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুরা-রতনদিয়া সড়কের কেদার হালটে দূর্যোগ ব্যবস্থা অধিদপ্তরের সতু/কালভার্ট কর্মসূচি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ১৭ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬৭৯ টাকা ব্যায় ২২ ফুট দৈর্ঘ্য ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। কাজটি করেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিএম ট্রেডার্স।
সাঙ্গুরা গ্রামের স্থানীয়রা বলেন,  জামালপুর ইউনিয়নর সাঙ্গুরা, নলিয়া, সন্ধ্যা, নটাপাড়া, রতনদিয়া, রাজবাড়ী সদর উপজেলার কালারহাট, সায়স্তাপুর, উদয়পুর, মুচিদাহ গ্রামের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম এ সড়কটি।
ইতিপূর্বে কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও পানির চাপের কারণে তা ভেঙ্গে যায়। পরে এখানে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। ব্রীজ নির্মাণর শুরুতই নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় ওই বছরই ফাটল দেখা দেওয়াসহ ব্রীজের নিচ থেকে বালু সরে যায়।
তারা আরো বলেন, ব্রীজটির সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে ও ব্রীজটি হেলে পড়ার ফলে শত শত হেক্টর জমির ফসল প্রায় ১০ কিলামিটার ঘুরে বাড়ীতে তুলতে হয়। সাঙ্গুরা নিম্মাঞ্চল ও কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় হাজারও কৃষকের ঘরে ফসল তোলার একমাত্র পথ এটি। রাস্তা ও ব্রিজটির এমন হাল হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বলেন, আমি যোগদানের আগেই ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। তবে ব্রীজের ফাটল দেখা দেওয়াসহ হেলে পড়ার বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিএম ট্রেডার্সর জামানত ফেরত বন্ধ করা হয়েছে। জনসাধারণের চলাচলের লক্ষে নতুন করে ব্রীজ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, নির্মাণের এক বছর পরই ‘ব্রিজটিত ত্রুটি দেখা দেয়। এখন হেলে পড়েছে। তবে এবারের বর্ষায় পানি বৃদ্ধির পরই ব্রিজটি একবারেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে।

বালিয়াকান্দিতে ব্রীজ হেলে পড়ায়, দুর্ভোগ চরমে

প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
মেহেদী হাসান রাজু, রাজবাড়ী।।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার সাথে বালিয়াকান্দি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম সড়কের নির্মাণকৃত ত্রাণের ব্রীজ হেলে পড়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুরা-রতনদিয়া সড়কের কেদার হালটে দূর্যোগ ব্যবস্থা অধিদপ্তরের সতু/কালভার্ট কর্মসূচি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ১৭ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬৭৯ টাকা ব্যায় ২২ ফুট দৈর্ঘ্য ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। কাজটি করেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিএম ট্রেডার্স।
সাঙ্গুরা গ্রামের স্থানীয়রা বলেন,  জামালপুর ইউনিয়নর সাঙ্গুরা, নলিয়া, সন্ধ্যা, নটাপাড়া, রতনদিয়া, রাজবাড়ী সদর উপজেলার কালারহাট, সায়স্তাপুর, উদয়পুর, মুচিদাহ গ্রামের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম এ সড়কটি।
ইতিপূর্বে কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও পানির চাপের কারণে তা ভেঙ্গে যায়। পরে এখানে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। ব্রীজ নির্মাণর শুরুতই নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় ওই বছরই ফাটল দেখা দেওয়াসহ ব্রীজের নিচ থেকে বালু সরে যায়।
তারা আরো বলেন, ব্রীজটির সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে ও ব্রীজটি হেলে পড়ার ফলে শত শত হেক্টর জমির ফসল প্রায় ১০ কিলামিটার ঘুরে বাড়ীতে তুলতে হয়। সাঙ্গুরা নিম্মাঞ্চল ও কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় হাজারও কৃষকের ঘরে ফসল তোলার একমাত্র পথ এটি। রাস্তা ও ব্রিজটির এমন হাল হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বলেন, আমি যোগদানের আগেই ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। তবে ব্রীজের ফাটল দেখা দেওয়াসহ হেলে পড়ার বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিএম ট্রেডার্সর জামানত ফেরত বন্ধ করা হয়েছে। জনসাধারণের চলাচলের লক্ষে নতুন করে ব্রীজ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, নির্মাণের এক বছর পরই ‘ব্রিজটিত ত্রুটি দেখা দেয়। এখন হেলে পড়েছে। তবে এবারের বর্ষায় পানি বৃদ্ধির পরই ব্রিজটি একবারেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে।