শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিকরগাছায় ক্যামেরার জন্য রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

 

যশোর প্রতিনিধি।। 
যশোরের ঝিকরগাছায় ইমরুল কায়েস পরাগ (২৩) নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক  ১২ থেকে ২ টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ইমরুল কায়েস পরাগ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের বিশেহরি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, ইমরুল কায়েস পরাগ একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এছাড়া বিয়েও করেছেন। তার স্ত্রী বর্তমানে পিতার বাড়িতে। পরাগ তার মায়ের কাছে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা চান। ক্যামেরা দিতে দেরি হওয়ায় তিনি মায়ের উপর অভিমান করেন। গেলরাত ১২টার দিকেও তিনি রাতের খাবার খাননি। রাত দুইটার দিকে তার মা দেখেন তিনি ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
জানতে চাইলে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ছেলেটা কেন যে আত্মহত্যা করেছে তা জানতে পারিনি। তবে সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তার মা একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরি করেন। শুনেছি ছেলেটি তার মাকে একটি ক্যামেরা কিনে দিতে বলেছিল। ক্যামেরা দিতে বিলম্ব হওয়ায় অভিমানে সে আত্মহত্যা করতে পারে।
যোগাযোগ করা হলে ঝিকরগাছা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনা জানতে পেরে সেখানে থানার এসআইকে পাঠিয়েছি।

ঝিকরগাছায় ক্যামেরার জন্য রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৪:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

 

যশোর প্রতিনিধি।। 
যশোরের ঝিকরগাছায় ইমরুল কায়েস পরাগ (২৩) নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক  ১২ থেকে ২ টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ইমরুল কায়েস পরাগ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের বিশেহরি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, ইমরুল কায়েস পরাগ একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এছাড়া বিয়েও করেছেন। তার স্ত্রী বর্তমানে পিতার বাড়িতে। পরাগ তার মায়ের কাছে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা চান। ক্যামেরা দিতে দেরি হওয়ায় তিনি মায়ের উপর অভিমান করেন। গেলরাত ১২টার দিকেও তিনি রাতের খাবার খাননি। রাত দুইটার দিকে তার মা দেখেন তিনি ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
জানতে চাইলে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ছেলেটা কেন যে আত্মহত্যা করেছে তা জানতে পারিনি। তবে সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তার মা একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরি করেন। শুনেছি ছেলেটি তার মাকে একটি ক্যামেরা কিনে দিতে বলেছিল। ক্যামেরা দিতে বিলম্ব হওয়ায় অভিমানে সে আত্মহত্যা করতে পারে।
যোগাযোগ করা হলে ঝিকরগাছা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনা জানতে পেরে সেখানে থানার এসআইকে পাঠিয়েছি।