রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ইতালি সম্মেলনে যোগ দিতে না পারায় ক্ষেপেছেন মমতা

ছবি: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

ইতালির রাজধানী রোমে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি সম্মেলনে যোগদানের জন্য সফরের অনুমতি না দেওয়ায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। নরেন্দ মোদির সরকার ও বিজেপিকে আক্রমণ করে মমতা বলেছেন, প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় ভবানীপুর আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় মমতা ব্যানার্জি বলেন, কো-ভ্যাকসিন নিয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কো-ভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দেয়নি। বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হলো না? তিনি বলেন, সেখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম।

মমতা বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে সম্মেলন হবে। দুই মাস আগে তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রীও থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিল না। সরকার বলছে, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য এই অনুষ্ঠানে যোগদান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এর আগে ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার চীনের কুনমিং সফর বাতিল হয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, আমি যেখানে যেতে চাই, সেখানেই আটকে দেওয়া হয়। আমাদের ছাড়া কারও যাতায়াতের ক্ষেত্রে তো এমনটা করা হয় না।

যদি শান্তির কথা আসে, তা হলে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমাকে কেন দেওয়া হলো না? আমাকে যেতে না দিয়ে বেআইনি কাজ করেছেন, অসম্মান করেছেন। আমি বিদেশে ঘুরতে যাই না। যেখানে দেশের সম্মান যুক্ত, সেখানে আমাকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় বার ক্ষমতা দখলের পরেই অন্য রাজ্যে সংগঠন গড়ার কাজ শুরু করেছে তৃণমূল। আসাম, ত্রিপুরার মতো উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সংগঠন গড়ার কাজে গতি এসেছে। এবার পশ্চিমের রাজ্য গোয়াতেও সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। শনিবারই গোয়ায় গেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েন ও হাওড়ার এমপি প্রসূন ব্যানার্জি। ঐ দিনই গোয়া তৃণমূলের নতুন লোগো প্রকাশ করা হয়েছে।

ইতালি সম্মেলনে যোগ দিতে না পারায় ক্ষেপেছেন মমতা

প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

ইতালির রাজধানী রোমে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি সম্মেলনে যোগদানের জন্য সফরের অনুমতি না দেওয়ায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। নরেন্দ মোদির সরকার ও বিজেপিকে আক্রমণ করে মমতা বলেছেন, প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় ভবানীপুর আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় মমতা ব্যানার্জি বলেন, কো-ভ্যাকসিন নিয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কো-ভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দেয়নি। বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হলো না? তিনি বলেন, সেখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম।

মমতা বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে সম্মেলন হবে। দুই মাস আগে তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রীও থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিল না। সরকার বলছে, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য এই অনুষ্ঠানে যোগদান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এর আগে ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার চীনের কুনমিং সফর বাতিল হয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, আমি যেখানে যেতে চাই, সেখানেই আটকে দেওয়া হয়। আমাদের ছাড়া কারও যাতায়াতের ক্ষেত্রে তো এমনটা করা হয় না।

যদি শান্তির কথা আসে, তা হলে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমাকে কেন দেওয়া হলো না? আমাকে যেতে না দিয়ে বেআইনি কাজ করেছেন, অসম্মান করেছেন। আমি বিদেশে ঘুরতে যাই না। যেখানে দেশের সম্মান যুক্ত, সেখানে আমাকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় বার ক্ষমতা দখলের পরেই অন্য রাজ্যে সংগঠন গড়ার কাজ শুরু করেছে তৃণমূল। আসাম, ত্রিপুরার মতো উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সংগঠন গড়ার কাজে গতি এসেছে। এবার পশ্চিমের রাজ্য গোয়াতেও সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। শনিবারই গোয়ায় গেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েন ও হাওড়ার এমপি প্রসূন ব্যানার্জি। ঐ দিনই গোয়া তৃণমূলের নতুন লোগো প্রকাশ করা হয়েছে।