রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চাল আমদানিতে এলসি খোলার সময় বাড়ল

ফাইল ছবি

বাণিজ্য ডেস্ক ।।
চাল আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণপত্র (লেটার অব ক্রেডিট-এলসি) খোলার সময় বাড়িয়েছে ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বেসরকারিভাবে নন-বাসমতী সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত ২১টি প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার সময়সীমা পত্র জারির তারিখ থেকে ৭ দিন বাড়ানো হলো।
দাম বাড়ার লাগাম টেনে ধরতে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির এলসি (ঋণপত্র) খোলার সময় এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সরকার।
খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের (সচিবালয়ের বৈদেশিক সংগ্রহ শাখা) সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বেসরকারিভাবে নন-বাসমতী সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত ২১টি প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার সময়সীমা পত্র জারির তারিখ থেকে সাত দিন বাড়ানো হলো।
এলসি সম্পর্কিত তথ্য (পোর্ট অব এন্ট্রিসহ) তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইলে (sasep@mofood.gov.bd) জানাতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে যেসব প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছিল, তাদের এলসি খোলার সময়সীমাও বাড়িয়েছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়।চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সরকার বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমোদন দেয়। দাম সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্কও কমানো হয়েছে।
চাল আমদানির অনুমতি দেয়া শুরু হয় গত ১৭ আগস্ট থেকে। এরপর ধাপে ধাপে সময় বাড়ানোসহ শর্ত শিথিল করে মোট ১৪টি আদেশ জারি করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
প্রথম আদেশে বলা হয়েছিল বরাদ্দ আদেশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র খুলতে হবে এবং আমদানিকারকদের ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
প্রথম দুই দফায় ছয় লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হলেও পরবর্তী আদেশগুলোতে নতুন আমদানিকারকদের অনুকূলে বরাদ্দ বাড়ানো হয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ ও সরবরাহ অনুবিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেসরকারিভাবে প্রায় ১৭ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৯৮ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এ সময়ে সরকারি পর্যায়ে আমদানি হয়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার টন।
সবমিলিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার টন। এর মধ্যে চাল ১৪ লাখ ৯২ হাজার টন, গম ১ লাখ ৩৭ হাজার টন আর ধান ৪০ হাজার টন।
চাল আমদানিতে সাময়িক সময়ের জন্য শুল্ক কমিয়েছে সরকার। গত ১২ আগস্ট আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা আগামী অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে। সব মিলিয়ে এখন মোট শুল্ক দিতে হবে ২৫ শতাংশ।
অপর এক আদেশে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে যেসব ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করেছেন বা করবেন, তারা সেই চাল ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাজারজাত করতে পারবেন। আগে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমদানি করা চাল বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

চাল আমদানিতে এলসি খোলার সময় বাড়ল

প্রকাশের সময় : ০১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১
বাণিজ্য ডেস্ক ।।
চাল আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণপত্র (লেটার অব ক্রেডিট-এলসি) খোলার সময় বাড়িয়েছে ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বেসরকারিভাবে নন-বাসমতী সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত ২১টি প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার সময়সীমা পত্র জারির তারিখ থেকে ৭ দিন বাড়ানো হলো।
দাম বাড়ার লাগাম টেনে ধরতে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির এলসি (ঋণপত্র) খোলার সময় এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সরকার।
খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের (সচিবালয়ের বৈদেশিক সংগ্রহ শাখা) সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বেসরকারিভাবে নন-বাসমতী সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত ২১টি প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার সময়সীমা পত্র জারির তারিখ থেকে সাত দিন বাড়ানো হলো।
এলসি সম্পর্কিত তথ্য (পোর্ট অব এন্ট্রিসহ) তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইলে (sasep@mofood.gov.bd) জানাতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে যেসব প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছিল, তাদের এলসি খোলার সময়সীমাও বাড়িয়েছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়।চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সরকার বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমোদন দেয়। দাম সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্কও কমানো হয়েছে।
চাল আমদানির অনুমতি দেয়া শুরু হয় গত ১৭ আগস্ট থেকে। এরপর ধাপে ধাপে সময় বাড়ানোসহ শর্ত শিথিল করে মোট ১৪টি আদেশ জারি করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
প্রথম আদেশে বলা হয়েছিল বরাদ্দ আদেশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র খুলতে হবে এবং আমদানিকারকদের ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
প্রথম দুই দফায় ছয় লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হলেও পরবর্তী আদেশগুলোতে নতুন আমদানিকারকদের অনুকূলে বরাদ্দ বাড়ানো হয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ ও সরবরাহ অনুবিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেসরকারিভাবে প্রায় ১৭ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৯৮ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এ সময়ে সরকারি পর্যায়ে আমদানি হয়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার টন।
সবমিলিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার টন। এর মধ্যে চাল ১৪ লাখ ৯২ হাজার টন, গম ১ লাখ ৩৭ হাজার টন আর ধান ৪০ হাজার টন।
চাল আমদানিতে সাময়িক সময়ের জন্য শুল্ক কমিয়েছে সরকার। গত ১২ আগস্ট আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা আগামী অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে। সব মিলিয়ে এখন মোট শুল্ক দিতে হবে ২৫ শতাংশ।
অপর এক আদেশে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে যেসব ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করেছেন বা করবেন, তারা সেই চাল ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাজারজাত করতে পারবেন। আগে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমদানি করা চাল বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।