শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন কমনওয়েলথ বৈঠকের সভাপতি

ঢাকা ব্যুরো।। আগামী বছর কমনওয়েলথ দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ-এর বার্ষিক বৈঠকে কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের একটি ভার্চুয়াল সভায় মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমনওয়েলথভুক্ত ৫৪টি দেশের অর্থমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকের সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়ায় দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের পক্ষ থেকে সভায় ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত ২০২২ সালের কমনওয়েলথ ফাইন্যান্স মিনিস্টারস মিটিংয়ের সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করে মালয়েশিয়া। ব্রুনেই তাতে সমর্থন দেয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘সর্বজনবিদিত একটি সত্য হচ্ছে, সপ্তদশ শতাব্দীতে কমনওয়েলথভুক্ত ভারতীয় উপমহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ ছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উত্তমচর্চা শেয়ারের মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অধিকতর আর্থসামাজিক সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে।

অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন কমনওয়েলথ বৈঠকের সভাপতি

প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।। আগামী বছর কমনওয়েলথ দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ-এর বার্ষিক বৈঠকে কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের একটি ভার্চুয়াল সভায় মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমনওয়েলথভুক্ত ৫৪টি দেশের অর্থমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকের সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়ায় দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের পক্ষ থেকে সভায় ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত ২০২২ সালের কমনওয়েলথ ফাইন্যান্স মিনিস্টারস মিটিংয়ের সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করে মালয়েশিয়া। ব্রুনেই তাতে সমর্থন দেয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘সর্বজনবিদিত একটি সত্য হচ্ছে, সপ্তদশ শতাব্দীতে কমনওয়েলথভুক্ত ভারতীয় উপমহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ ছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উত্তমচর্চা শেয়ারের মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অধিকতর আর্থসামাজিক সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে।