
জন্মদিনে তিনি নেচেছেন, নাচিয়েছেন। সেটা মেনে নিতে পারেনি অনেক নেটিজেন। সমালোচনা করেছেন তার পোশাক নিয়ে। জন্মদিনে বিমানবালা হয়ে হাজির হয়েছিলেন পরীমনি। অনুষ্ঠানস্থল সাজানো হয়েছিল ককপিটের আদলে। সমালোচনার অন্যতম বিষয় ছিল পরীমনির পোশাক। কারণ এর উপরের অংশ বিমানবালার হলেও নিচের অংশ তেমন ছিল না। ফলে ট্রলের শিকার হয়েছেন পরীমনি।
নেটিজেন কেউ বলছেন পরী লুঙ্গি পরেছেন, কেউ বলছেন ধুতি। তবে এটি ছিল একটি ফিউশন ড্রেস। তামিলের অধিবাসীদের লুঙ্গির সঙ্গে এর সাদৃশ্য পাওয়া যায়। স্থানীয় ভাষায় যাকে বলে ভেশতি। কেরালার পুরুষরা এভাবে লুঙ্গি পরেন। মানে কাপড়ের নিচের অংশ ভাঁজ করে কোমরে গুটিয়ে নেন। পরীমনিও এভাবেই তার পোশাকটি পরেছিলেন।
নিজের ফেসবুকে পরীমনি এবার একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সেই লুঙ্গি নিয়ে। রোববার (৩১ অক্টোবর) পরীমনি লিখেছেন, ‘এই যে আমি গুনিন’র শুটিং থেকে একটু ছুটি নিয়ে এসে বার্থডে সেলিব্রেশন, সারা দিন বাচ্চাদের নিয়ে হইহুল্লোর, সন্ধ্যা থেকে লেট নাইট পার্টি, পরদিন আর্লি মর্নিং আদালত শেষ করে আবার শুটিং জয়েন করলাম। দারুণ একটা সিনেমার কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে দেখি আপনারা আমার সেই লুঙ্গিতেই আটকা পড়ে রইলেন!আহারে আপনাদের দিকে তাকালে নিজেকে সত্যিই বড় সুখী মনে হয়। শুকরিয়া।
তার এ পোস্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন নেটিজেনদের অনেকে। এর আগে জন্মদিনের পোশাক নিয়ে দেশীয় একটি সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছিলেন পরীমনি। জানিয়েছেন, তার পরা পোশাকটির আলাদা নাম নেই।
পরীমনি বলেন, ‘বার্থ ডের ড্রেস আমি নিজেই পছন্দ করেছি। এটার আলাদা কোনো নাম নেই। কোনো ডিজাইনারও পোশাকটি বানায়নি। অনুষ্ঠানটি ঘরোয়া ছিল, তাছাড়া আমি তো আর সত্যি সত্যি ককপিটে বসে ফ্লাই করব না। যে কারণে পোশাকের ক্ষেত্রেও কোনো রুলস মেনে করা হয়নি। জাস্ট পছন্দ হয়েছে পরেছি।
বার্তাকণ্ঠ/এন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho