এস এম আলমগীর কবির, নড়াইল প্রতিনিধি ।।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে নড়াইল সদরের বিভিন্ন এলাকায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচী শেষ হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেতু বন্ধন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচী সম্পন্ন করা হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সড়কের দুইপাশে আমলকি, হরিতকি, বহেড়া, জলপাই, পেয়ারা, কাঁঠাল, আম, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২০০ চারা রোপন করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন-ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক মনোজিত পাল, সহ-সভাপতি লিটন বিশ্বাস, নড়াইল কালেক্টরেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক উজির আলী, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা তাপস বিশ্বাস ও বিষ্ণুপদ কর্মকার, সদস্য দিনরাজ বিশ্বাস, নিউটন মোল্যা, শরিফুল ইসলাম, নারায়ন বিশ্বাস, সুখেন বিশ্বাস, সুমন বিশ্বাস, চিন্ময় বিশ্বাস, রিপন ভট্টচার্য, রাজু ভট্টচার্য, গৌরব দাস, শাকিল মিনা, মিলন মজুমদার, পিযুস বিশ্বাস, মানস বিশ্বাস, ঈশান দে, উজ্জ্বল দাসসহ অনেকে। এর আগে ১৬ নভেম্বর এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়।
সেতু বন্ধন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিজয় দে বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে আমলকি, হরিতকি, বহেড়া, জলপাই, পেয়ারা, কাঁঠাল, আম, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২০০ চারা রোপন করা হয়েছে। আগদিয়া, শিমুলিয়া, আগদিয়ারচর, রামনগরচর, নিরালী ও বাহিরগ্রামসহ পাশের এলাকায় এসব চারা রোপন করেছি। এর আগে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসক ও নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন প্রদত্ত মাস্ক বিতরণসহ করোনা সংকটে আগদিয়া এলাকায় ২৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী দিয়েছি। এদিকে, ডেঙ্গু মোকাবেলায়ও মাইকিংসহ প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
বার্তাকণ্ঠ/এন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho