শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কালিয়ায় জিপিএ ৫ পাওয়া নববধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রতীকী ছবি

নড়াইল প্রতিনিধি :

হাতের মেহেদীর রঙ মুছতে না মুছতেই পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়ায় গত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শ্রাবনী (১৭) নামে সদ্য বিবাহিতা এক নববধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার যাদবপুর গ্রামে ঘটেছে ওই হত্যাকান্ডের ঘটনা। শ্রাবনী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার হাড়িখালি গ্রামের ফারুক শেখের মেয়ে। পাষন্ড স্বামী হাসিবুর বিশ্বাস তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে শ্রাবনীর স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে স্বামী হাসিবুর ও তার পরিবারে সদস্যরা পলাতক রয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, যাদবপুর গ্রামের হেমায়েত বিশ্বাসের ছেলে কলেজ ছাত্র হাসিবুর রহমান বিশ্বাসের সাথে এসএসসি পরীক্ষার্থী শ্রাবনীর ফেসবুকে পরিচয়ে পর ধীরে ধীরে তা গভীর প্রেমে রুপ নেয়। তাদের প্রেমের ঘটনাটি জানাজানি হলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রায় মাস তিনেক আগে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের কয়েকদিন পার হতে না হতেই তারা পারিবারিক কলহে জডিয়ে পড়ে। শুরু হয় তার ওপর পাষন্ড স্বামীর শারীরিক ও মানষিকভাবে নির্যাতন। তারই এক পর্যায়ে শনিবার ৬টার দিকে হাসিবুর শ্রাবনীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়া থানার ওসি সেখ কনি মিয়া বলেন, ‘শ্রাবনী হত্যার সাথে জড়িত তার পাষন্ড স্বামী হাসিবুরসহ তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। তাদেরকে আটক করতে পুলিশী অভিযান চলছে। ওই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

কালিয়ায় জিপিএ ৫ পাওয়া নববধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৫:০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জানুয়ারী ২০২২

নড়াইল প্রতিনিধি :

হাতের মেহেদীর রঙ মুছতে না মুছতেই পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়ায় গত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শ্রাবনী (১৭) নামে সদ্য বিবাহিতা এক নববধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার যাদবপুর গ্রামে ঘটেছে ওই হত্যাকান্ডের ঘটনা। শ্রাবনী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার হাড়িখালি গ্রামের ফারুক শেখের মেয়ে। পাষন্ড স্বামী হাসিবুর বিশ্বাস তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে শ্রাবনীর স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে স্বামী হাসিবুর ও তার পরিবারে সদস্যরা পলাতক রয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, যাদবপুর গ্রামের হেমায়েত বিশ্বাসের ছেলে কলেজ ছাত্র হাসিবুর রহমান বিশ্বাসের সাথে এসএসসি পরীক্ষার্থী শ্রাবনীর ফেসবুকে পরিচয়ে পর ধীরে ধীরে তা গভীর প্রেমে রুপ নেয়। তাদের প্রেমের ঘটনাটি জানাজানি হলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রায় মাস তিনেক আগে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের কয়েকদিন পার হতে না হতেই তারা পারিবারিক কলহে জডিয়ে পড়ে। শুরু হয় তার ওপর পাষন্ড স্বামীর শারীরিক ও মানষিকভাবে নির্যাতন। তারই এক পর্যায়ে শনিবার ৬টার দিকে হাসিবুর শ্রাবনীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়া থানার ওসি সেখ কনি মিয়া বলেন, ‘শ্রাবনী হত্যার সাথে জড়িত তার পাষন্ড স্বামী হাসিবুরসহ তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। তাদেরকে আটক করতে পুলিশী অভিযান চলছে। ওই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।