রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বিক্ষোভ, কাজাখস্তানের সরকার পতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

জ্বালানি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছে মধ্য এশিয়ার তেল-সমৃদ্ধ দেশ কাজাখস্তানের সরকার। বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট টোকায়েভ দেশটির প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেছেন। একই সঙ্গে দেশটির বড় বড় শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

আগে জ্বালানি পণ্য এলপিজির দাম বেঁধে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু মঙ্গলবার এলপিজির ওপর থেকে সেই প্রাইস ক্যাপ তুলে নেওয়ার পর দেশটিতে এলপিজির দাম অনেকটাই বেড়ে যায়।

এর জেরে মঙ্গলবার থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই প্রতিবাদ সহিংস হয়ে ওঠে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজাখস্তানের সরকার প্রথমে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে। এরপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুরো সরকার নিয়ে পদত্যাগ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি স্মাইলভকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার কাজাখস্তানের অয়েল হাব বলে পরিচিত মেঙ্গিস্টা শহরে প্রতিবাদ শুরু হয়। দ্রুত এই বিক্ষোভ অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।

দেশের অন্যতম বৃহৎ শহর আলমাটিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছুঁড়েও বিক্ষোভ সামাল দিতে পারেনি।

বিক্ষোভকারীরা সরকার ও সামরিক ভবনগুলোতে হামলার ডাক দেয়। প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ বলেছেন, এই ধরনের প্রতিবাদ অন্যায়। সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত বিক্ষোভকারীদের।

এছাড়া এই সহিংসতার পেছনে অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশিদের উসকানি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: সিএনএন, ডয়েচে ভেলে

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বিক্ষোভ, কাজাখস্তানের সরকার পতন

প্রকাশের সময় : ০২:২০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জানুয়ারী ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

জ্বালানি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছে মধ্য এশিয়ার তেল-সমৃদ্ধ দেশ কাজাখস্তানের সরকার। বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট টোকায়েভ দেশটির প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেছেন। একই সঙ্গে দেশটির বড় বড় শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

আগে জ্বালানি পণ্য এলপিজির দাম বেঁধে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু মঙ্গলবার এলপিজির ওপর থেকে সেই প্রাইস ক্যাপ তুলে নেওয়ার পর দেশটিতে এলপিজির দাম অনেকটাই বেড়ে যায়।

এর জেরে মঙ্গলবার থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই প্রতিবাদ সহিংস হয়ে ওঠে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজাখস্তানের সরকার প্রথমে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে। এরপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুরো সরকার নিয়ে পদত্যাগ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি স্মাইলভকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার কাজাখস্তানের অয়েল হাব বলে পরিচিত মেঙ্গিস্টা শহরে প্রতিবাদ শুরু হয়। দ্রুত এই বিক্ষোভ অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।

দেশের অন্যতম বৃহৎ শহর আলমাটিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছুঁড়েও বিক্ষোভ সামাল দিতে পারেনি।

বিক্ষোভকারীরা সরকার ও সামরিক ভবনগুলোতে হামলার ডাক দেয়। প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ বলেছেন, এই ধরনের প্রতিবাদ অন্যায়। সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত বিক্ষোভকারীদের।

এছাড়া এই সহিংসতার পেছনে অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশিদের উসকানি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: সিএনএন, ডয়েচে ভেলে