শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোন ধরনের মহিলার সাথে পুরুষগণ দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে

হাফেজ মাওঃ মেহেদী হাসান।।
কোন ধরনের মহিলার সাথে পুরুষগণ দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে।
পুরুষগণ নিম্নে বর্ণিত ১৪ শ্রেণীর মহিলাদের সাথে দেখা সাক্ষাত করতে পারবে এবং তাদেরকে বিবাহ করা হারাম।
(১) আপন মা।
(২) আপন দাদী, নানী ও তাদের ঊর্ধ্বতন মহিলাগণ।
(৩) সহোদর বোন, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।
(৪) আপন মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোন কন্যা সন্তান ও আপন ছেলে সন্তানদের স্ত্রী।
(৫) যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন সংঘটিত হয়েছে তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বামীর কন্যা সন্তান এবং স্ত্রীর মা অর্থাৎ, শাশুড়ী, নানী শাশুড়ী ও দাদী শাশুড়ী।
(৬) ফুফু অর্থাৎ, পিতার সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।
(৭) খালা অর্থাৎ, মায়ের সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।
(৮) ভাতিজী অর্থাৎ, সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কন্যা সন্তান।
(৯) ভাগ্নী অর্থাৎ, সহোদর, বৈমাত্রেয়, বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কন্যা সন্তান।
(১০) দুধ সম্পর্কীয় মেয়ে, মেয়ের মেয়ে, ছেলের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কোন কন্যা সন্তান এবং দুধ সম্পর্কীয় ছেলের স্ত্রী।
(১১) দুধ সম্পর্কীয় মা, খালা, ফুফু, নানী, দাদী ও তাদের ঊর্ধ্বতন মহিলাগণ।
(১২) দুধ সম্পর্কীয় বোন, দুধ বোনের মেয়ে, দুধ ভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোন কন্যা সন্তান।
(১৩) যৌন শক্তিহীন এমন বৃদ্ধা, যার প্রতি পুরুষের কোন প্রকার আকর্ষণ নেই।
(১৪) অপ্রাপ্ত বয়স্কা এমন বালিকা, যার প্রতি পুরুষদের এখনো যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি হয়নি।
উল্লেখ্য, ১৩ ও ১৪ নং বর্ণিত মেয়েদের সাথে বিবাহ জায়েয আছে।
উপরোক্ত মহিলাগণ ব্যতীত পুরুষের জন্য অন্য কোন মহিলার সাথে দেখা-সাক্ষাত মোটেও জায়েয নয়, বরং সম্পূর্ণ নাজায়েয ও হারাম। (সূরা নিসা ২৩, তাফসীরে মাযহারী-২/২৫৪, মা‘আরিফুল কুরআন, ২/৩৫৬-৩৬১)

কোন ধরনের মহিলার সাথে পুরুষগণ দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২
হাফেজ মাওঃ মেহেদী হাসান।।
কোন ধরনের মহিলার সাথে পুরুষগণ দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে।
পুরুষগণ নিম্নে বর্ণিত ১৪ শ্রেণীর মহিলাদের সাথে দেখা সাক্ষাত করতে পারবে এবং তাদেরকে বিবাহ করা হারাম।
(১) আপন মা।
(২) আপন দাদী, নানী ও তাদের ঊর্ধ্বতন মহিলাগণ।
(৩) সহোদর বোন, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।
(৪) আপন মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোন কন্যা সন্তান ও আপন ছেলে সন্তানদের স্ত্রী।
(৫) যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন সংঘটিত হয়েছে তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বামীর কন্যা সন্তান এবং স্ত্রীর মা অর্থাৎ, শাশুড়ী, নানী শাশুড়ী ও দাদী শাশুড়ী।
(৬) ফুফু অর্থাৎ, পিতার সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।
(৭) খালা অর্থাৎ, মায়ের সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।
(৮) ভাতিজী অর্থাৎ, সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কন্যা সন্তান।
(৯) ভাগ্নী অর্থাৎ, সহোদর, বৈমাত্রেয়, বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কন্যা সন্তান।
(১০) দুধ সম্পর্কীয় মেয়ে, মেয়ের মেয়ে, ছেলের মেয়ে ও তাদের অধঃস্তন কোন কন্যা সন্তান এবং দুধ সম্পর্কীয় ছেলের স্ত্রী।
(১১) দুধ সম্পর্কীয় মা, খালা, ফুফু, নানী, দাদী ও তাদের ঊর্ধ্বতন মহিলাগণ।
(১২) দুধ সম্পর্কীয় বোন, দুধ বোনের মেয়ে, দুধ ভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোন কন্যা সন্তান।
(১৩) যৌন শক্তিহীন এমন বৃদ্ধা, যার প্রতি পুরুষের কোন প্রকার আকর্ষণ নেই।
(১৪) অপ্রাপ্ত বয়স্কা এমন বালিকা, যার প্রতি পুরুষদের এখনো যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি হয়নি।
উল্লেখ্য, ১৩ ও ১৪ নং বর্ণিত মেয়েদের সাথে বিবাহ জায়েয আছে।
উপরোক্ত মহিলাগণ ব্যতীত পুরুষের জন্য অন্য কোন মহিলার সাথে দেখা-সাক্ষাত মোটেও জায়েয নয়, বরং সম্পূর্ণ নাজায়েয ও হারাম। (সূরা নিসা ২৩, তাফসীরে মাযহারী-২/২৫৪, মা‘আরিফুল কুরআন, ২/৩৫৬-৩৬১)