শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে গরু চুরির অভিযোগে শালিসী বৈঠকে ২লাখ টাকা জরিমানা!

নড়াইল প্রতিনিধি ।।

ড়াইলে গরু চুরির অভিযোগে শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে ৪ যুবককে ২লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারী) বিকালে লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ৩৩নং হান্দলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অন্তত ৭ গ্রামের মানুষের উপস্থিতিতে এ শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শালিসী বৈঠকে নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুন্সী জোসেফ হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান ফয়জুল হক রোম, সাবেক চেয়ারম্যান নূরুজ্জামান নূরনবীসহ পাশ^বর্তী ওয়ার্ডের মেম্বর ও স্থানীয় মাতব্বরা উপস্থিত ছিলেন। শালিসের রায় ঘোষণা করেন সাবেক চেয়ারম্যান ফয়জুল হক রোম।
এদিকে পুলিশ প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে উপেক্ষা করে এ ধরনের শালিসের কোন বৈধতা আছে কিনা তা নিয়ে রীতিমতো সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে
খোজখবর নিয়ে জানাগেছে, হান্দলা গ্রামের মশিউর রহমান ওরফে মইশের একটি গরু চুরি হয় ৪/৫দিন আগে। এই গরু চুরির ঘটনায় হান্দলা গ্রামের খবির উদ্দিনের ছেলে পলাশ (২৪), খলিল ফকিরের ছেলে সাজ্জাদ (২১), হান্দলা খালপাড় এলাকার আশিক ও দেবী গ্রামের মশিয়ারকে অভিযুক্ত করা হয়।
অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে শুক্রবার পূর্বনির্ধারিত শালিসী বৈঠক বসে। শালিসী বৈঠক শেষে খবিরের ্উদ্দিনের ছেলে পলাশকে ১লাখ টাকা জরিমানা, সাজ্জাদ ও আশিককে ৩৫হাজার টাকা করে এবং মশিয়ারকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আগামী এব সপ্তাহের মধ্যে টাকা জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুন্সী জোসেফ হোসেন বলেন, স্থানীয় ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মিমাংশা করা হয়েছে। চোরেরা দোষী সাভ্যস্থ হয়েছে। তবে এ বিচারের রায় তারা আপীল করলে পূণ বিবেচনা করা হতে পারে।
একই বিষয় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, দুইপক্ষ শালিস মিমাংশা মেনে নিনে আমাদের কিছু করার নেই। তবে কেউ অভিযোগ করলে আইনগত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 নজরুল/বার্তাকণ্ঠ

 

 

নড়াইলে গরু চুরির অভিযোগে শালিসী বৈঠকে ২লাখ টাকা জরিমানা!

প্রকাশের সময় : ০৪:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২

নড়াইল প্রতিনিধি ।।

ড়াইলে গরু চুরির অভিযোগে শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে ৪ যুবককে ২লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারী) বিকালে লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ৩৩নং হান্দলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অন্তত ৭ গ্রামের মানুষের উপস্থিতিতে এ শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শালিসী বৈঠকে নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুন্সী জোসেফ হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান ফয়জুল হক রোম, সাবেক চেয়ারম্যান নূরুজ্জামান নূরনবীসহ পাশ^বর্তী ওয়ার্ডের মেম্বর ও স্থানীয় মাতব্বরা উপস্থিত ছিলেন। শালিসের রায় ঘোষণা করেন সাবেক চেয়ারম্যান ফয়জুল হক রোম।
এদিকে পুলিশ প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে উপেক্ষা করে এ ধরনের শালিসের কোন বৈধতা আছে কিনা তা নিয়ে রীতিমতো সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে
খোজখবর নিয়ে জানাগেছে, হান্দলা গ্রামের মশিউর রহমান ওরফে মইশের একটি গরু চুরি হয় ৪/৫দিন আগে। এই গরু চুরির ঘটনায় হান্দলা গ্রামের খবির উদ্দিনের ছেলে পলাশ (২৪), খলিল ফকিরের ছেলে সাজ্জাদ (২১), হান্দলা খালপাড় এলাকার আশিক ও দেবী গ্রামের মশিয়ারকে অভিযুক্ত করা হয়।
অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে শুক্রবার পূর্বনির্ধারিত শালিসী বৈঠক বসে। শালিসী বৈঠক শেষে খবিরের ্উদ্দিনের ছেলে পলাশকে ১লাখ টাকা জরিমানা, সাজ্জাদ ও আশিককে ৩৫হাজার টাকা করে এবং মশিয়ারকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আগামী এব সপ্তাহের মধ্যে টাকা জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুন্সী জোসেফ হোসেন বলেন, স্থানীয় ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মিমাংশা করা হয়েছে। চোরেরা দোষী সাভ্যস্থ হয়েছে। তবে এ বিচারের রায় তারা আপীল করলে পূণ বিবেচনা করা হতে পারে।
একই বিষয় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, দুইপক্ষ শালিস মিমাংশা মেনে নিনে আমাদের কিছু করার নেই। তবে কেউ অভিযোগ করলে আইনগত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 নজরুল/বার্তাকণ্ঠ