প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১১, ২০২৬, ৩:২৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২২, ১০:২৩ পি.এম
মৃত স্বামীর সম্পত্তির ভাগ নিতে চায় ২২ বছর পূর্বের ডিভোর্সি স্ত্রী

রাজবাড়ীর পাংশায় স্বামীর মৃত্যুর পর ভুয়া ওয়ারিশ সনদপত্র তৈরী করে সম্পত্তির ভাগ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে প্রায় ২২ বছর পূর্বের ডিভোর্সী স্ত্রী। এমন অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে মৃত স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রী।
বুধবার(২৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পাংশা উপজেলা পরিষদের বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দি মেডিকেল হলে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটি অভিযোগ করেছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী দীনা খন্দকার।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন প্রয়াত ডা. এ এফ এম শফীউদ্দিন (পাতা) আমার স্বামী। তিনি গত ৩ আগস্ট ২০২১ ইং তারিখে করোনাক্রান্ত হয়ে ঢাকা শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলজি ইনস্টিউট ও হাসপাতালে মুত্য বরণ করেন। তিনি মৃত্যুর প্রায় ৪ বছর আগে গত ৬ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি আমি সহ ছয় জনের নামে ওয়ারিশ করে গেছেন।
ছয় জনের মধ্যে আমি ও সন্তান জারিফাহ জারিন উর্বি ও আতিফ এহসান অঝর এবং তার ডিভোর্সী (প্রথম) স্ত্রীর তিন সন্তান জান্নাতুল ফেরদৌস মৃদু, রওনক জাহান নিঝু ও ফুয়াদ জামিল দিপ্ত।
তিনি তার প্রথম স্ত্রী মিনজুয়ারা বেগমকে আজ থেকে প্রায় ২২ বছর পূর্বে গত ১৩মে-২০০০ইং তারিখে ডিভোর্স দেন। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার পর গত ২২ জুলাই ২০০০ তারিখে আমাকে বিবাহ করেন। তিনি প্রথম স্ত্রী নিমজুয়ারা বেগমকে ডিভোর্স দেওয়ার কারণে তার নামে সম্পত্তির ওয়ারিশ করে যাননি।
আমার স্বামী পাংশা পৌরসভার ভোটার ছিলেন না। তিনি পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের সাজুরিয়া গ্রামের ভোটার ছিলেন।
অথচ তিনি মারা যাবার পর তার ডিভোর্সী (প্রথম) স্ত্রী পাংশা পৌরসভা থেকে একটি ওয়ারিশ সনদপত্র তৈরি করে তার রেখে যাওয়া সম্পত্তির দাবি করছে। পাংশা পৌরসভা কর্তৃক এই ওয়ারিশ সনদপত্র সম্পুর্ণ ভূয়া।
আমার স্বামীর মৃত্যুর পর এই ভুয়া ওয়ারিশ সনদপত্র তৈরী করে আমার স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির ভাগ নেওয়ার জন্য মারিয়া হয়ে উঠে পরেছে তার সেই ডিভোর্সী স্ত্রী মিনজুয়ারা বেগম।
এছাড়াও সম্প্রতি সময়ে আমাকে হেওপ্রতিপূর্ন করার জন্য বিভিন্ন ভাবে ভয়ভিতি প্রদর্শন করছে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন এবং এ বিষয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডিভোর্সী ন্ত্রী নিমজুয়ারা বেগমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তা কোন ভাবেই সম্ভব হয়নি।
বার্তা/এন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho