শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০২৩, ১৮ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চন্দনাইশে বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল

দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের দিলুয়ারা বেগম (৬২) নামের বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।

বিরোধ থাকায় পুত্রবধূ ঝিনুক এটিকে আত্মহত্যা বললেও বৃদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।পুলিশ ও এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়,৩০ শে মার্চ (বুধবার) বৈলতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কালামিয়া মাষ্টার বাড়ি এলাকায় বজল আহমদের স্ত্রী লায়লা বেগমের লাশ ঘরের বিমের সাথে ঝুলে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।
নিহতের স্বামী বজল আহমদ,দুই মেয়ে শিবলী ও বিউটি আক্তার বলেন ভাই প্রবাসী বেলালের বউ ঝিনুকের পরকিয়া প্রেমের কারনে মা দিলুয়ারা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা
আমিনুল হক বেলালের স্ত্রীর পরকিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন,পর পুরুষের হাত ধরে একবার ঝিনুক পালিয়ে গিয়েছিল। স্থানীয় শালিশীর মাধ্যে মিমাংসা করা হলেও তাদের প্রেম থেমে নেই । প্রায় সময় লোকজন আসা যাওয়া করত। হয়ত শাশুড়ি তাদের কোন কিছু দেখে ফেলেছে বলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করছেন তিনি।
 তবে চন্দনাইশ থানা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান বলেন, সুরতহাল অনুযায়ী আমরা আত্মহত্যা বলে ধারণা করছি সে হিসেবে অপমৃত্যু মামলা রুজু করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে, ময়না তদন্তের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জনপ্রিয়

চন্দনাইশে বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের দিলুয়ারা বেগম (৬২) নামের বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃদ্ধার মৃত্যু নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।

বিরোধ থাকায় পুত্রবধূ ঝিনুক এটিকে আত্মহত্যা বললেও বৃদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।পুলিশ ও এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়,৩০ শে মার্চ (বুধবার) বৈলতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কালামিয়া মাষ্টার বাড়ি এলাকায় বজল আহমদের স্ত্রী লায়লা বেগমের লাশ ঘরের বিমের সাথে ঝুলে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।
নিহতের স্বামী বজল আহমদ,দুই মেয়ে শিবলী ও বিউটি আক্তার বলেন ভাই প্রবাসী বেলালের বউ ঝিনুকের পরকিয়া প্রেমের কারনে মা দিলুয়ারা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা
আমিনুল হক বেলালের স্ত্রীর পরকিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন,পর পুরুষের হাত ধরে একবার ঝিনুক পালিয়ে গিয়েছিল। স্থানীয় শালিশীর মাধ্যে মিমাংসা করা হলেও তাদের প্রেম থেমে নেই । প্রায় সময় লোকজন আসা যাওয়া করত। হয়ত শাশুড়ি তাদের কোন কিছু দেখে ফেলেছে বলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করছেন তিনি।
 তবে চন্দনাইশ থানা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান বলেন, সুরতহাল অনুযায়ী আমরা আত্মহত্যা বলে ধারণা করছি সে হিসেবে অপমৃত্যু মামলা রুজু করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে, ময়না তদন্তের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।