Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১রবিবার , ৩ এপ্রিল ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ডেস্ক রিপোর্ট
এপ্রিল ৩, ২০২২ ৫:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। আজ রবিবার (৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এসময় ‍উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সাক্ষাতে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্র বিস্তৃত হয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ খুবই লাভজনক এবং বিনিয়োগের জন্য উত্তম স্থান হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি বিনিয়োগের জন্য ঢাকায় নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের প্রতি আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার ৫১ বছর পার করেছে। এই সময়ে অর্থনৈতিকভাবে দেশ অনেক এগিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত এক দশকে অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশ এক নতুন উচ্চতায় অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশ এখন আর ‘উন্নয়ন মিরাকল’ নয়, বরং বাংলাদেশ এখন অন্যদের জন্য ‘উন্নয়নের রোল-মডেল’। অর্থনীতির আকারে বর্তমান বিশ্বে ৪১তম বাংলাদেশ, যা ২০০৬ সালে ছিল ৬০তম। স্বাধীনতার পরে আমাদের অর্থনীতি জিডিপিতে ১০০ বিলিয়ন ছাড়াতে সময় লেগেছিল ৩৮ বছর, গত ১২ বছরে তা চারগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৪১১ বিলিয়ন দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ও আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নেওয়া পদক্ষেপ এবং টিকা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি অর্থনৈতিক ক্ষেত্র বিদ্যমান। তিনি বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, বিনিয়োগের জন্য প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুফল, বন্ধুসুলভ আচরণ, কর্মক্ষম জনবলের সহজলভ্যতাসহ বিভিন্ন সুবিধার কথা যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।