Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১রবিবার , ২৪ এপ্রিল ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং করলেন ইউএনও

Link Copied!

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রকল্প ২-এর আওতায় ‘আশ্রয়ণের অধিকার-শেখ হাসিনার উপহার’ হিসেবে গৃহ প্রদান করা হয়। বকশীগঞ্জে উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণের জন্য ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান পূর্বক একক গৃহ নির্মাণ করা হয়। সেই মোতাবেক ২টি ধাপে   উপজেলায়   ১৯২টি পরিবারের মাঝে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা গৃহ বিতরণ করা হয় এবং ২৬ এপ্রিলে তৃতীয় ধাপে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে সরকারি ঘর পাচ্ছেন আরও ২০ টি পরিবার । এতে করে তৃতীয়বারে মত মাথা গোঁজার ঠাই পাচ্ছেন সর্বমোট ২১২টি পরিবার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ এপ্রিল ২০২২ মঙ্গবার সকাল ১১.০০ টায় ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে তৃতীয় পর্যায়ে সারাদেশের ন্যায় একযোগে আধা পাকা ০২ শতক জমিসহ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঈদের উপহার হিসাবে বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
এ বিষয়ে আজ রবিবার ২৪ এপ্রিল সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলা কনফারেন্স রুমে এক প্রেসব্রিফিং করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুন মুন জাহান লিজা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ তালুকদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, থানার ওসি তরিকুল ইসলামসহ আরও অনেকেই।
প্রেসব্রিফিং এ নির্বাহি কর্মকর্তা মুন মুন জাহান লিজা বলেন, যথাক্রমে ১ম পর্যায়ে ঘর বিতরণ করা হয় ১৪২টি, ২য় পর্যায়ে বিতরণ করা হয় ৫০টি ও ৩য় পর্যায়ে বিতরণ করা হবে  ২০টি  যা নিলক্ষিয়া ১০টি, ধানুয়াকামালপুরে ৪টি, বগারচর ৫টি ও বাট্টাজোরে ১ টি ঘর নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এক টুকরো জমি তো দূরে থাক, তাদের মাথা গোঁজার জায়গা ছিল না। বর্তমানে মানুষগুলো সুন্দর ও মানুষের মতো বেচেঁ থাকার স্বপ্ন দেখছে। বর্তমান সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে তারা এখন পেয়েছে একটি নিজস্ব ঘর। একটু আশা। তাই তো পাল্টে গেছে তাদের জীবনমান।
সরোজমিনে দেখাগেছে,  উপজেলায় ১’শ ৯২টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর প্রদান করেছে সরকার। পাকা মেঝে ও দেয়াল ঘেরা টিনশেড একটি লম্বা ঘরে খুব ভাল ভাবেই বাস করতে পারে ছোট একটি পরিবার। প্রতি ১০ টি পরিবারের জন্য একটি টিউবয়েল, পাচঁটি পরিবারের জন্য একটি স্যানিটারী ল্যাপটিন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও রয়েছে এ প্রকল্পে।
এবিষয়ে রুজিনা, সুনারী ও শুকনী সাকমা  বলেন, কিছু দিন পূর্বেও আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না। আমরা ছিলাম এক প্রকার যাযাবরের মতো। এখন বর্তমান সরকারের সহায়তায় আমাদের নিজেদের একটি ঠিকানা হয়েছে। খাবার পানির জন্য যেতে হত অন্যের বাড়িতে। অনেক কষ্টেদিন পার করেছি। এখন স্বামী, সন্তানদের নিয়ে খুব ভাল ভাবেই সংসার চলছে।
নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর নির্মানের জন্য কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপজেলা কমিটির সদস্যবৃন্দ দিনরাত কাজের তদারকি করে এ বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করেছেন। এবং কি কর্মকর্তাবৃন্দ ছুটির দিনেও ঘরের অগ্রগতি ও গুনগতমান পরিদর্শনে গিয়েছেন। গৃহহীন বাছাই থেকে শুরু করে গৃহ নির্মানে ও বিতরণ কার্যক্রমের সকল পর্যায়ে এ উপজেলার মাননীয় সংসদ সদস্য ও  রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ  এবং সকল জনপ্রতিনিধি সার্বক্ষনি পরামর্শক ও তাদের সহযোগীতা প্রদান করেছেন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।