রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভীড় 

ঈদের ছুটিতে নেত্রকোনার বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে। একটু আনন্দ কুড়াতে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এসব স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নেত্রকোনার মানুষের আনন্দ বিনোদনের অন্যতম স্থান নেত্রকোনার দূর্গাপুরে উপস্থিত ঐতিহাসিক চিনামাটির পাহাড়, বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি, সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দার লেংগুরায় সাত শহীদের মাজার মমিনের টিলা,পাচঁগাও সীমান্তের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র।
এছাড়াও নেত্রকোনার দূর্গাপুর ও মোহনগঞ্জ সড়ক এবং তার দুই পাশে গড়ে উঠা ছোট বড় রেস্টুরেন্টগুলো এখন নেত্রকোনার মানুষের কাছে বিনোদনের স্থানে পরিনত হয়েছে। সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন তরুণ তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ। খালিয়াজুরী ও মদন উপজেলার কোল ঘেঁষে নেত্রকোনার আদলে গড়ে তোলা হয়েছে আকাশনীল করা ছোট বড় অনেক রেস্টুরেন্ট।
অন্যদিকে ভারতের মেঘালয় সীমান্তবর্তী সোমেশ্বরী নদীর তীরে গড়ে তোলা হয়েছে বিজয়পুর পর্যটন কেন্দ্র। এসব পর্যটন কেন্দ্রে নেত্রকোনার স্বাদ নিতে সব বয়সের পর্যটকদের ভিড় রয়েছে। জেলা শহরের অদূরে কাইলাটি ইউনিয়নে কিড্ডি কিংডং পার্ক বেশ খোলামেলা এবং বহু জাতের গাছপালায় পরিপূর্ণ।
এখানে আগত অতিথিরা একদিকে যেমন প্রকৃতির সবুজের কাছাকাছি আসতে পারছেন আবার অন্যদিকে বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া এখানকার লেকে রয়েছে প্যাডেল বোট। এখানে আগত অল্প বয়সী অতিথিদের জন্য রয়েছে খেলাধুলার স্হান, এবং বিভিন্ন আকর্ষণীয় ভাস্কর্য। জেলার সর্ববৃহৎ এই বেসরকারি পার্কে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছপালা।
মোহনগঞ্জ উপজেলার আদর্শনগর গ্রামের বাসিন্দা আচল রহমান, কাজল রহমান, আলিফ রহমান ও মতিয়ার রহমান মোড়ল জানালেন, তারা ঈদের পরদিন বেড়াতে এসে সময়টা দারুণ কাটিয়েছেন আদর্শনগর পর্যটন কেন্দ্রে।
নেত্রকোনা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ আকবর আলী মুন্সি জানান, ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে নেত্রকোনার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ও বিভিন্ন পার্কে ঘুরতে আসছেন অনেক মানুষ। সঙ্গত কারণে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
যাতে এগুলোতে কোনো রকম অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

গ্রন্থাগার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট গ্রন্থাগার, স্মার্ট বাংলাদেশ : মতিয়া চৌধুরী

নেত্রকোনার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভীড় 

প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মে ২০২২
ঈদের ছুটিতে নেত্রকোনার বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে। একটু আনন্দ কুড়াতে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এসব স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নেত্রকোনার মানুষের আনন্দ বিনোদনের অন্যতম স্থান নেত্রকোনার দূর্গাপুরে উপস্থিত ঐতিহাসিক চিনামাটির পাহাড়, বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি, সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দার লেংগুরায় সাত শহীদের মাজার মমিনের টিলা,পাচঁগাও সীমান্তের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র।
এছাড়াও নেত্রকোনার দূর্গাপুর ও মোহনগঞ্জ সড়ক এবং তার দুই পাশে গড়ে উঠা ছোট বড় রেস্টুরেন্টগুলো এখন নেত্রকোনার মানুষের কাছে বিনোদনের স্থানে পরিনত হয়েছে। সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন তরুণ তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ। খালিয়াজুরী ও মদন উপজেলার কোল ঘেঁষে নেত্রকোনার আদলে গড়ে তোলা হয়েছে আকাশনীল করা ছোট বড় অনেক রেস্টুরেন্ট।
অন্যদিকে ভারতের মেঘালয় সীমান্তবর্তী সোমেশ্বরী নদীর তীরে গড়ে তোলা হয়েছে বিজয়পুর পর্যটন কেন্দ্র। এসব পর্যটন কেন্দ্রে নেত্রকোনার স্বাদ নিতে সব বয়সের পর্যটকদের ভিড় রয়েছে। জেলা শহরের অদূরে কাইলাটি ইউনিয়নে কিড্ডি কিংডং পার্ক বেশ খোলামেলা এবং বহু জাতের গাছপালায় পরিপূর্ণ।
এখানে আগত অতিথিরা একদিকে যেমন প্রকৃতির সবুজের কাছাকাছি আসতে পারছেন আবার অন্যদিকে বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া এখানকার লেকে রয়েছে প্যাডেল বোট। এখানে আগত অল্প বয়সী অতিথিদের জন্য রয়েছে খেলাধুলার স্হান, এবং বিভিন্ন আকর্ষণীয় ভাস্কর্য। জেলার সর্ববৃহৎ এই বেসরকারি পার্কে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছপালা।
মোহনগঞ্জ উপজেলার আদর্শনগর গ্রামের বাসিন্দা আচল রহমান, কাজল রহমান, আলিফ রহমান ও মতিয়ার রহমান মোড়ল জানালেন, তারা ঈদের পরদিন বেড়াতে এসে সময়টা দারুণ কাটিয়েছেন আদর্শনগর পর্যটন কেন্দ্রে।
নেত্রকোনা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ আকবর আলী মুন্সি জানান, ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে নেত্রকোনার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ও বিভিন্ন পার্কে ঘুরতে আসছেন অনেক মানুষ। সঙ্গত কারণে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
যাতে এগুলোতে কোনো রকম অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে।