প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৬, ৩:৫৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১১, ২০২২, ২:০১ পি.এম
ট্রেনের টিকেট নিয়ে তেলেসমাতি

যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ঝিকরগাছা রেলস্টেশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট নিয়ে চলছে তেলেসমাতি কান্ডকারখানা।
২০১৯ সালের ১৭ই জুলাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৯৫/৭৯৬ কোডের এই ট্রেনটি নিজের পছন্দের নাম "বেনাপোল এক্সপ্রেস" নাম দিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংস্থার পশ্চিমাঞ্চল কতৃক পরিচালিত এই ট্রেনটি বুধবার বাদে সপ্তাহে ৬দিন ঢাকা থেকে বেনাপোল এবং বেনাপোল থেকে ঢাকা রুটে নিয়মিত চলাচল করে। প্রথমে এটি একটি বিলাসবহুল ট্রেন থাকলেও করোনায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় যখন ট্রেনটি চালু হয় তখন এর অত্যাধুনিক রেক বদলে পুরোনো রেক দিয়ে চালু করা হয়। যার প্রতিবাদে স্হানীয় সেবা সংগঠনের উদ্যোগে ঝিকরগাছার সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতিবাদে রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন করে। এর আগেও ঝিকরগাছায় এই ট্রেনের স্টপেজের দাবীতে একই সংগঠন এর উদ্যোগে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচির কারনে ঝিকরগাছায় স্টপেজ দেওয়া হয় এবং ৫৫টি সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে করোনার পর সিট সংখ্যা কমিয়ে ৪০টি করা হয়, যার ২০টি অনলাইন এবং ২০ টি স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হয়।
ঝিকরগাছা থেকে ঢাকা যাতায়াতে বাস সার্ভিসে ফেরিঘাটে সময় বেশি লাগা এবং বিভিন্ন বিড়ম্বনার কারণে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন এই অঞ্চলের যাত্রীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ঝিকরগাছা থেকে প্রতিদিন প্রায় এক দেড় হাজার যাত্রী ঢাকা যাতায়াত করে। ট্রেনে মাত্র ২০ টি সিট বরাদ্দ থাকায় এই টিকেট পাওয়ার জন্য এতদাঞ্চলের মানুষ আরামদায়ক ভ্রমনের আশায় টিকিট প্রাপ্তির প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। আর এই সুযোগটিই গ্রহন করে অত্র স্টেশনের একটি অসাধু চক্র। তারা খুব কৌশলে ট্রেনের টিকেট গুলো নিজেরা সংগ্রহ করে নেয় এবং সুযোগ বুঝে যাত্রীদের কাছে ২গুন কখনও ৩গুন দামে বিক্রয় করা শুরু করে। ঈদ পূজা ইত্যাদি বিশেষ সিজনে টিকেট এর দাম আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউন্টারে টিকিট পাওয়া না গেলেও নির্দিষ্ট দালালের কাছে অতিরিক্ত টাকা দিলেই টিকেট পাওয়া যায়। এ সম্পর্কে অনুসন্ধানে দেখা যায় রেলস্টেশনের কর্মকর্তারা এই টিকিট কারসাজির সাথে সরাসরি জড়িত। অনুসন্ধানে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে যেটি ২য় পর্বে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho