
ভারতে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বলেছেন, কোর্ট বন্ধ আছে, কোর্ট খুললেই তারা পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবেন।
রবিবার (১৫ মে) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা পি কে হালদারের বিষয়ে এখনো কোনো কাগজপত্র পাইনি। কোর্টও বন্ধ আছে। আগামীকাল সোমবার (১৬ মে) থেকে কোর্ট শুরু হবে। আমরা পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সবধরনের ব্যবস্থা নেব।’
উল্লেখ্য গতকাল শনিবার (১৪ মে) সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে গণমাধ্যমে খবর আসে।
দেশটির কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি) বিভাগের ওই অভিযানে পি কে হালদার ছাড়াও তার ভাইসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পি কে হালদারসহ পাঁচজনকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা।
ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, শিব শংকর হালদার নামে ছদ্মবেশ ধরে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আত্মগোপনে ছিলেন পি কে হালদার।
গত শুক্রবার (১৩ মে) দেশটির উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের বেশ কয়েকটি বাসায় ওই অভিযান চালানো হয়। একই সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকাতেও পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে পি কে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধা, পৃতিশ কুমার হালদার, প্রাণেশ কুমার হালদার ছাড়াও তাদের সহযোগীদের নামে থাকা বাড়ি ও সম্পত্তিতে হানা দিয়েছিল ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি) বিভাগ।
প্রসঙ্গত, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত মোট ৩৪টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এগুলোর মধ্যে একটির অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলও করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও তিনটি অভিযোগপত্র কমিশনের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।
কমিশনের এই মামলায় আসামিদের মধ্যে ১৩ জনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি ৬৪ জনের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে আদালতে।
তা ছাড়া এখন পর্যন্ত আলোচিত এই অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পি কে হালদারের ৮৩ সহযোগীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho