Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১বুধবার , ১৮ মে ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কিশোরগঞ্জ সদর আ’লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি নিয়ে রহস্য ও নাটকীয়তা 

সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় - কিশোরগঞ্জ
মে ১৮, ২০২২ ৬:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলন ও সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়াদোত্তীর্ণ সাংগঠনিক ইউনিট সমূহের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের অন্তর্ভুক্ত কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা ইউনিটের সম্মেলন চলতি মাসের ২৫ ও ২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত মার্চ মাসের ২১ তারিখ ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম (এমপি) কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় উপস্থিত হয়ে এই দুইটি উপজেলার চলমান গ্রুপিং ও কোন্দল নিরসনে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন।
এদিকে দুই উপজেলা কমিটির সম্মেলন ঘোষণার পরেই দলীয় নেতাকর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনার বিপরীতে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। দুই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন কমিটি সমূহের সম্মেলন না করেই বর্তমান কমিটির মাধ্যমে উপজেলার সম্মেলন হলে তৈরি হবে একটি পকেট কমিটি এমন অভিযোগ অধিকাংশ নেতাকর্মীদের। চলমান গ্রুপিং ও কোন্দল অবসান লক্ষে ইউনিয়নে নতুন কমিটি গঠনের পর উপজেলা সম্মেলন করার দাবি জানান তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
হোসেনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সফল করার লক্ষে গত ১৬ মে উপজেলার আসাদুজ্জামান খান অডিটরিয়ামে সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাকে ঘিরে দেখা দিয়েছে রহস্য ও নাটকীয়তা। জানা গিয়েছে জেলা আ’লীগের প্রভাবশালী এক নেতার নির্দেশনায় ও উপস্থিতিতে কঠোর গোপনীয়তায় সম্মেলন উপলক্ষে সদর আ’লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়েছে। এ সভায় জেলা কমিটির কয়েকজন নেতাও উপস্থিত ছিল। এর ফলে আসন্ন সম্মেলন নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে নেতাকর্মীদের মাঝে। উপজেলা আ’লীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে জানান, জেলা কমিটির প্রভাবশালী এই নেতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তে উপজেলা আ’লীগ গতিশীলতা হারিয়েছে। একইসাথে বিভক্ত হয়েছে কয়েক ভাগেও। অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে তার সকল বিতর্কিত কর্মকান্ডে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকরা সহযোগিতা করে আসছে। দেড় মাসে আগে ইউনিয়ন কমিটির কাছ থেকে কাউন্সিলর তালিকা নিয়ে এখন পর্যন্ত তা প্রকাশ করা হয়নি। তালিকার অধিকাংশ কাউন্সিলর গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপি নেত্রীর নির্বাচন করেছেন বলেও অভিযোগ করেন নেতাকর্মীরা।
সদর উপজেলার এক ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জেলা আওয়ামী লীগের এই প্রভাবশালী নেতা বেপরোয়া হয়ে গিয়েছেন পকেট কমিটি গঠনের জন্য। এই প্রভাবশালী নেতার স্বেচ্ছাচারি কর্মকান্ডে সদর আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে অচল হয়েছে।
এদিকে সদর উপজেলার সম্মেলন উপলক্ষে বিশেষ বর্ধিত সভার বিষয়ে কথা বলতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ফোনে একাধিকবার কল দিলেও ওনার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও বর্ধিত সভার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কার স্বার্থে বর্ধিত সভা নিয়ে লুকোচুরি হচ্ছে এটা সকলেই অবগত। এ সবকিছুর দায় জেলা আওয়ামী লীগের, তাদের সমর্থনের জন্যই এসব হচ্ছে বলেও জানান তারা।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।