রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কিশোরীকে ভারতে পাচার, দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সংগৃহীত

খুলনায় কিশোরীকে (১৭) ভারতে পাচার ও অনৈতিক কাজে বাধ্য করার দায়ে এক দম্পতির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।  অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিন জনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন… শাহীন শেখ ও আসমা বেগম ওরফে সালমা। দুই জনেই পলাতক রয়েছে।

মামলার রাষ্টপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ জানান, ২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর এক কিশোরীকে ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শাহীন ও আসমা ভারতে নিয়ে যায়। সেখানে টাকার বিনিময়ে তাকে যৌনপল্লিতে রেখে আসে। এরপর ভুক্তভোগীর পরিবার শাহীনকে কল দেয়। সে জানায়, ২০ হাজার টাকা দিলে তারা কিশোরীকে ফেরত দেবে। এভাবে নানা কথা বলে টালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী ফিরে এসে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

আদালতে মামলার শুনানিকালে আট জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এই মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আলী আমরান হোসেন লিটন।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

গ্রন্থাগার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট গ্রন্থাগার, স্মার্ট বাংলাদেশ : মতিয়া চৌধুরী

কিশোরীকে ভারতে পাচার, দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৬:১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

খুলনায় কিশোরীকে (১৭) ভারতে পাচার ও অনৈতিক কাজে বাধ্য করার দায়ে এক দম্পতির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।  অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিন জনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন… শাহীন শেখ ও আসমা বেগম ওরফে সালমা। দুই জনেই পলাতক রয়েছে।

মামলার রাষ্টপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ জানান, ২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর এক কিশোরীকে ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শাহীন ও আসমা ভারতে নিয়ে যায়। সেখানে টাকার বিনিময়ে তাকে যৌনপল্লিতে রেখে আসে। এরপর ভুক্তভোগীর পরিবার শাহীনকে কল দেয়। সে জানায়, ২০ হাজার টাকা দিলে তারা কিশোরীকে ফেরত দেবে। এভাবে নানা কথা বলে টালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী ফিরে এসে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

আদালতে মামলার শুনানিকালে আট জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এই মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আলী আমরান হোসেন লিটন।