Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১সোমবার , ১৩ জুন ২০২২
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিকরগাছা সাবরেজিস্ট্রার অফিস স্থানান্তরের খবরে জনমনে হতাশা ও ক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার
জুন ১৩, ২০২২ ১:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যশোরের ঝিকরগাছা সাবরেজিস্ট্রার অফিস স্থানান্তরের খবরে স্থানীয় জনগনের মধ্যে হতাশা এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে। ঝিকরগাছা উপজেলা মোড় থেকে মাত্র এক মিনিটের পায়ে হাঁটা দুরত্বে, উপজেলা সদরের মেইন রোডের সাথে ফায়ারসার্ভিস স্টেশনের প্রাচীর সংলগ্ন হাসিনা আক্তারের দুইতলা ভবনে ভাড়ায় থাকা অফিসটি স্থানান্তর করতে চাইছে অফিস কতৃপক্ষ।  ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের সন্নিকটে অবস্থিত হওয়ায় অফিসে আসা উপজেলার বাসিন্দারা একসাথে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় কাজ একজায়গায় সমাধান করার সুযোগ পাচ্ছিলেন। এই অফিসকে ঘিরে গড়ে উঠেছে হোটেল, কম্পিউটার, ফটোকপি, মুদিখানা, ঔষধ, চায়ের দোকান সহ অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই দোকানের আয় দিয়ে চলে তাদের সংসার। এখন অফিস স্থানান্তরের খবরে এসকল ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা আর উপার্জনহীন হয়ে পড়ার আতংক। স্হানীয় জনগন, ব্যবসায়ী, দলিল লেখক সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় বর্তমান অফিসটির চারপাশে অনেক খোলামেলা জায়গা ছিলো। ফলে অনেক মানুষ একসাথে তাদের কাজ করতে পারতো। এটি অফিসিয়াল এলাকা হওয়ায় এক স্হানেই জনগণ অনেক ধরনের সেবা পেত। কিন্তু এখন যেখানে অফিসটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটি বাজার থেকে খানিকটা দুরে আবাসিক এলাকা। সেখানে অনেক মানুষ বসবাস করে। আবাসিক এলাকায় অফিস স্হাপন না করলে ভালো হতো বলে অনেকে অভিমত ব্যক্ত করেন। কতৃপক্ষ জনস্বার্থে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অফিসের ভবন মালিক হাসিনা আক্তার জানান, গত তিনবছর ধরে অফিসটি আমার ভবনে আছে। এই অফিসের প্রয়োজনে দলিল লেখকদের বসার জায়গা, পাবলিক টয়লেট সহ বিভিন্ন স্হাপনা আমি নিজ খরচে করে দিয়েছি। কয়েকমাস পূর্বে কতৃপক্ষ অফিস সম্প্রসারণের কথা জানালে ইতিমধ্যে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ করে ভবন সম্প্রসারণ করার কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। এখন তারা অফিস অন্যত্র স্থানান্তর করবে এই মর্মে আমাকে চিঠি দিয়েছে। তাহলে আমাদেরকে কেন এত অর্থ লগ্নি করালো? আমি এর প্রতিকার চাই। স্হানীয় কম্পিউটার কম্পোজ মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ বুলবুল ইসলাম জানান, এই অফিসকে ঘিরে প্রায় ৩০ জন ব্যবসায়ী দলিল লেখা, ছবি তোলা, ফটোকপি করার কাজের সাথে জড়িত আছে। প্রত্যেকের পরিবার এই আয়ের উপর নির্ভরশীল। এখান থেকে অফিস চলে গেলে আমরা সবাই বেকার হয়ে যাবো। পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে চলবে সেই চিন্তায় আছি।
ছুটিতে থাকায় ঝিকরগাছা সাবরেজিস্টার জনাব নারায়ণ মন্ডলের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে অফিসের মোহোরার জনাব ইকবাল কবির জাহিদ জানান গতমাসে আই জি আর অফিস থেকে পত্র পাবার পর আমরা নতুন আর একটি ভাড়া বাড়িতে অফিস স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তবে দুঃখের বিষয় আমরা সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে দিলেও ঝিকরগাছায় সরকারি নিজস্ব কোনো ভবন নেই। আবারও একটি ভাড়া বাড়িতে অফিস স্থানান্তর হচ্ছে। আমরা একটি নিজস্ব ভবন চাই।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।